হোম আল হাদিস সুনানে আবু দাউদ

সুনানে আবু দাউদ

Sunan Abu Dawud | মোট অধ্যায়: 43, মোট হাদিস: 5,274 টি
سنن أبي داود

সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 5,274 টি।

হাদিস নম্বর জাম্প:
রিসেট

হাদিস তালিকা

সুনানে আবু দাউদ : 3969
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত (এভাবে) পড়েছেনঃ ‘‘তোমরা মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থান বানিয়ে নাও।’’ (সূরা আল-বাকারাহঃ ১২৫)।[1] সহীহ।
(3969, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3970
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাতে এক লোক উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করলো। সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ অমুক ব্যক্তির উপর রহমত বর্ষণ করুন। সে রাতে আমাকে এমন কিছু আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যা আমি প্রায় ভুলতে বসেছিলাম।[1] সহীহ।
(3970, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3971
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘‘আর নবীর জন্য শোভনীয় নয় যে, তিনি খিয়ানাত করবেন।’’ এই আয়াত বদরের যুদ্ধের সময় অবতীর্ণ হয়েছে, বদরের যুদ্ধের সময় একটা লাল চাঁদর হারিয়ে গেলে কতিপয় লোক বলাবলি করলো, সম্ভবত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা নিয়েছেন। তখন আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ ‘‘আর নবীর জন্য শোভনীয় নয় যে, তিনি খিয়ানাত করবেন। অথচ যে ব্যক্তি খিয়ানাত করবে সে খিয়ানাতকৃত বস্তুসহ কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে। অতঃপর প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের পূর্ণ বিনিময় পাবে এবং তাদের প্রতি বিন্দুমাত্র যুলুম করা হবে না।’’ (সূরা আল-ইমরানঃ ১৬১)। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘ইয়াগুলু’ শব্দের ইয়া-তে যবর হবে।[1] সহীহ।
(3971, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3972
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট কৃপণতা ও বার্ধক্য থেকে আশ্রয় চাইছি।[1] সহীহ।
(3972, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3973
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। লাক্বীত ইবনু সাবিরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বনী মুনতাফিকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়েছিলাম। অতঃপর তিনি হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সীন হরফে যের পড়েছেন, সীনে যবর দিয়ে পড়েননি।[1] সহীহ।
(3973, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3974
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক অভিযানে মুসলিমগণ এক লোকের সাক্ষাৎ পেলো, যার কিছু বকরী ছিলো। লোকটি বললো, আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। (অথচ) তারা তাকে হত্যা করে বকরীগুলো নিয়ে নিলো। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ ‘‘কেউ তোমাদের সালাম দিলে দুনিয়াবী সম্পদের লোভে তাকে বলো না যে, তুমি মু‘মিন নও’’ (সূরা আন-নিসাঃ ৯৪) অর্থাৎ সেই বকরীগুলো।[1] সহীহ।
(3974, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3975
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। খারিজাহ ইবনু যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের এই আয়াত এভাবে (পেশ দিয়ে) পড়তেনঃغَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ।[1] হাসান সহীহ।
(3975, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3976
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত (এভাবে) পড়তেনঃ وَالْعَيْنُ بِالْعَيْنِ।[1] দুর্বল।
(3976, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3977
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত এভাবে পড়তেনঃ وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنُ بِالْعَيْنِ দুর্বল।
(3977, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3978
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ‘আতিয়্যাহ ইবনু সা‘দ আল-আওফী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। আমি আব্দুল্লাহ ইবনু উমারের সামনে এই আয়াত اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضَعْفٍ এভাবে পাঠ করলে তিনি বলেন,مِنْ ضُعْفٍ পাঠ করো। বর্ণনাকারী বলেন, আমিও তোমার মতো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে পড়েছিলাম। ফলে তিনি আমার ভুল ধরেছিলেন যেমন আমি তোমার ভুল ধরেছি।[1] হাসান।
(3978, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3979
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ সাঈদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে পড়তেনঃ (مِنْ ضُعْفٍ)।[1] হাসান।
(3979, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3980
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আব্দুর রাহমান ইবনু আবযা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْتَفْرَحُوا।[1] হাসান সহীহ।
(3980, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3981
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত এভাবে পড়তেনঃ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَلِكَ فَلْتَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِمَّا تَجْمَعُونَ।[1] হাসান সহীহ।
(3981, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3982
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ আয়াত এভাবে পড়তে শুনেছেঃ (إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।[1] সহীহ।
(3982, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3983
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত কিভাবে পড়তেনঃ (إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ)? তিনি বললেন, তিনি এই আয়াত এভাবে পড়তেন(إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।[1] সহীহ।
(3983, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3984
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দু‘আ করতেন তখন প্রথমে নিজের জন্য দু‘আ করতেন এবং বলতেনঃ আমাদের উপর এবং মূসার উপর আল্লাহর রহমত। যদি তিনি ধৈর্য ধারণ করতেন, তাহলে তিনি তার সঙ্গী (খিযির) থেকে আশ্চর্যকর জিনিস দেখতে পেতেন। বরং তিনি ধৈর্য না ধরে বলেনঃإِنْ سَأَلْتُكَ عَنْ شَيْءٍ بَعْدَهَا فَلَا تُصَاحِبْنِي قَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِّي। ক্বারী হামযাহ শব্দটি দীর্ঘ করে পাঠ করেন।[1] সহীহ।
(3984, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3985
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াতেরقَدْ بَلَغْتَ مِنْ لَدُنِّي লাদুন্নী শব্দের নূনকে তাশদীদ সহকারে পড়েছেন।[1] দুর্বল
(3985, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3986
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) আমাকে ঐভাবে পড়িয়েছেন যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পড়িয়েছিলেন। যেমনفِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ। এখানে حَمِئَةٍ শব্দটি হালকাভাবে পড়েছেন।
(3986, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3987
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘ইল্লীনের অধিবাসী এক ব্যক্তি জান্নাতবাসীদের দিকে তাকাবে। ফলে জান্নাত তার দৃষ্টির কারণে মোতির মতো উজ্জ্বল হয়ে যাবে।’’ বর্ণনাকারী বলেন, হাদীসে এভাবেই এসেছে। এখানেدُرِّيٌّ শব্দটির দালের উপর পেশ হবে যের বা যবর হবে না। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আবূ বাকর এবং উমার তাদের দলভুক্ত হবেন। বরং তারা ঐ মতির চাইতে উত্তম।[1] দুর্বল।
(3987, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3988
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ফারওয়াহ ইবনু মুসাইক আল-গুতাইফী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। অতঃপর হাদীস উল্লেখ করেন। এ সময় কওমের এক লোক জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে ‘সাবা’ সম্পর্কে সংবাদ দিন। সেটা কি কোনো জায়গার নাম নাকি কোনো মহিলার নাম? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ সেটা কোনো জায়গা বা মহিলার নাম নয়। বরং তা আরবের একজন লোকের নাম। লোকটির দশজন পুত্র ছিলো। যাদের ছয়জনে ইয়ামেনে এবং চারজন সিরিয়াতে বাস করে।[1] হাসান সহীহ।
(3988, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)