হোম আল হাদিস সুনানে আবু দাউদ

সুনানে আবু দাউদ

Sunan Abu Dawud | মোট অধ্যায়: 43, মোট হাদিস: 5,274 টি
سنن أبي داود

সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 5,274 টি।

হাদিস নম্বর জাম্প:
রিসেট

হাদিস তালিকা

সুনানে আবু দাউদ : 4159
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব সময় চুল আঁচড়াতে নিষেধ করেছে, তবে একদিন পরপর (আঁচড়ালে দোষ নেই)।[1] সহীহ।
(4159, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4160
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আব্দুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবী মিসরে অবস্থানরত ফাদালাহ ইবনু উবাইদ (রাঃ)-এর নিটক পৌঁছেন। অতঃপর তিনি বলেন, আমি কেবল আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসিনি, বরং আমি এবং আপনি যে হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শুনেছি, আশা করি এ সম্পর্কে আপনার কিছু জানা আছে। তিনি বললেন, তা কোন্ বিষয়ে? তিনি বললেন, এরূপ এরূপ। তিনি বললেন, আপনি একটি স্থানের নেতা, অথচ আপনার মাথার চুল উষ্কখুষ্ক দেখছি? সাহাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মাত্রাতিরিক্ত জাঁকজমক দেখতে নিষেধ করেছেন। তিনি (ফাদালাহ) বলেন, আপনার পায়ের জুতা দেখছি না কেন? তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মাঝে মধ্যে খালি পায়ে চলার আদেশ দিতেন।[1] সহীহ।
(4160, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4161
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ উমামাহ সালাবাহ আল-আনসারী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ তাঁর সামনে দুনিয়াদারী সম্পর্কে আলোচনা করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি শুনতে পাও না, তোমরা কি শুনতে পাও না যে, পোশাক-পরিচ্ছদের নম্রতা প্রকাশ ঈমানের অঙ্গ, পোশাক-পরিচ্ছদে নম্রতা প্রকাশ ঈমানের অঙ্গ অর্থাৎ পোশাক-পরিচ্ছদে বাবুগিরী প্রদর্শন না করা।[1] সহীহ।
(4161, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4162
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি উত্তম আতরদানি ছিলো, তিনি তা থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করতেন।[1] সহীহ।
(4162, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4163
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার মাথায় চুল আছে সে যেন এর যত্ন নেয়।[1] হাসান সহীহ।
(4163, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4164
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসির (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কারীমাহ বিনুত হাম্মাম (রহঃ) আমাকে বর্ণনা করেন যে, এক মহিলা মেহেদীর খেযাব লাগানো সম্পর্কে আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এটা ব্যবহারে কোনো দোষ নেই; তবে আমি তা অপছন্দ করি। কারণ আমার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটির গন্ধ অপছন্দ করতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ মাথার চুলের খেযাব।[1] দুর্বল।
(4164, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4165
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘উতবাহর কন্যা হিন্দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর নবী! আমার বাই‘আত নিন। তিনি বলেনঃ তুমি তোমার দু’ হাতের তালু পরিবর্তন না করা পর্যন্ত তোমাকে বাই‘আত করাবো না। সে দু’টি যেন হিংস্র প্রাণীর থাবার ন্যায়।[1] দুর্বল।
(4165, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4166
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা পর্দার আড়াল থেকে একটি কিতাব হাতে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে বাড়িয়ে দিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত না বাড়িয়ে বললেনঃ আমি বুঝতে পারছি না এটা কোনো পুরুষের হাত না কি নারীর হাত? সে বললো, বরং নারীর হাত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি মহিলা হলে অবশ্যই তোমার নখগুলো মেহেদীর রঙ দ্বারা রঞ্জিত করতে।[1] হাসান।
(4166, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4167
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। হুমাইদ ইবনু আব্দুর রাহমান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) তার রাজত্বকালে হজ (হজ্জ) উপলক্ষে এক সমাবেশে মিম্বারে দাঁড়ালেন। তিনি তার দেহরক্ষী পুলিশের হাত থেকে এক গুচ্ছ কৃত্রিম চুল নিজ হাতে নিয়ে সবাইকে সম্বোধন করে বললেন, হে মদীনাবাসী! তোমাদের আলেমগণ কোথায়? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এটা ব্যবহার করতে নিষেধ করতে শুনেছি এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, বনী ইসরাঈলের নারীরা এ কৃত্রিম চুল ব্যবহারে অভ্যস্ত হওয়ায় ধ্বংস হয়েছে।[1] সহীহ।
(4167, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4168
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসাপ দিয়েছেন ঐ সব নারীদেরকে যারা পরচুলা তৈরী করে, যারা তা ব্যবহার করে, যারা দেহে উল্কি লাগিয়ে দেয় এবং যারা উল্কি লাগায়।[1] সহীহ।
(4168, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4169
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ লা‘নত করেছেন ঐ নারীদের যে নারী উল্কি আঁকে ও যার দেহে অঙ্কন করানো হয়। মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, ‘‘যারা কৃত্রিম চুল ব্যবহার করে।’’ উসমান (রহঃ) বলেন, ‘‘এবং যারা কপালের উপরের চুল উপকিয়ে কপাল প্রশস্ত করে।’’ অতঃপর তারা দু’জনেই একমত হয়ে বলেন, ‘‘এবং যারা সৌন্দর্য লাভের জন্য রেতি ইত্যাদি দ্বারা দাঁত ঘর্ষণ করে সরু করে দাঁতের মধ্যে ফাঁক সৃষ্টি করে, আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন করে এবং তাদের প্রতি লা‘নত। তিনি বলেন, বনী আসাদের উম্মু ইয়াকূব নাম্নী এক মহিলা একথা শুনেন এবং ঐ মহিলা কুরআন পড়তেন।’ পরে উভয়ে একমত হয়ে বলেন, মহিলাটি তার নিকট এসে বলেন, শুনতে পেলাম আপনি না কি ঐ সব নারীদের অভিসাপ দিয়েছেন, যারা দেহে উল্কি লাগায়, কৃত্রিম চুল ব্যবহার করে, কপালের উপরের চুল উপকিয়ে কপাল প্রশস্ত করে এবং যারা রেতী ইত্যাদি দ্বারা দাঁত ঘষে সরু করে, (উসমান বলেন), যারা আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন করে। আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাদের প্রতি অভিসাপ দিয়েছেন, আমি তাদের অভিসাপ দিবো না এ কেমন কথা? অথচ এ বিষয়টি মহান আল্লাহর কিতাবে বিদ্যমান। মহিলা বলেন, আমি তো এ কিতাবের আদ্যোপান্ত পড়েছি; কিন্তু এ কথা তো পাইনি। তিনি বলেন, ‘‘আল্লাহর কসম! তুমি (ভালভাবে) পড়লে অবশ্যই তা পেয়ে যেতে।’’ অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ (অর্থ) ‘‘আর রাসূল তোমাদেরকে যা দেন তা গ্রহণ করো, আর যা থেকে তোমাদের বিরত রাখেন, তা থেকে বিরত থাকো, আর আল্লাহকে ভয় করো; নিঃসন্দেহে আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।’’ (সূরা হাশরঃ ৭)। মহিলা বললেন, আমি আপনার স্ত্রীকে দেখেছি, তিনি এসবের কিছু কিছু করেন। তিনি বললেন, তাহলে তুমি ভেতরে গিয়ে দেখে আসো। অতঃপর তিনি ভেতরে ঢুকে বেরিয়ে এলেন। তিনি (আব্দুল্লাহ) বললেন, কি দেখলেন? উসমান বলেন, তিনি বেরিয়ে এসে বললেন, না এসব করতে দেখিনি। তিনি বললেন, এসব থাকলে সে আমার সাথে থাকতে পারতো না।[1] সহীহ।
(4169, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4170
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোনো অসুস্থতা ছাড়া যেসব নারী পরচুলা তৈরী করে, যে নারী তা ব্যবহার করে, যে নারী ভ্রুর চুল উপড়ে ফেলে এবং যে নারী দেহে উল্কি অংকন করে তাদেরকে অভিসম্পাত করা হয়েছে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, الواصله শব্দের ব্যাখ্যা হলো, যে নারী অন্য নারীর চুলের সাথে কৃত্রিম চুল সংযোজন করে। অর্থাৎ হলো, وَالْمُسْتَوْصِلَةُ যে নারী এরূপ কৃত্রিম চুল ব্যবহার করে। النامصة অর্থ যে নারী সরু করার জন্য চুল উপড়িয়ে দেয়, অর্থ হলো, যে নারী এ কাজ করায়। المتنمصة অর্থ হলো, যে নারী চেহারায় সুরমা বা রঙের কালি দিয়ে চিত্র অঙ্কিত করে। المستوشمة অর্থ হলো যে নারী এ কাজ করায়।[1] সহীহ।
(4170, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4171
Daif Maqtu
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সাঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ) বলেন, নারীদের জন্য রেশমী ও পশমী সূতার কৃত্রিম চুর ব্যবহারে দোষ নেই। ইমাম আবূ দাঊধ (রহঃ) বলেন, মনে হয় তার মতে নারীদের চুল দ্বারা তৈরী পরচুলা ব্যবহার নিষিদ্ধ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইমাম আহমাদ (রহঃ)-এর মত হলো, রেশমী ও পশমী সূতার কৃত্রিম ব্যবহারে অসুবিধা নেই।[1] দুর্বল মাকতু মুনকার।
(4171, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4172
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কাউকে সুগন্ধি বস্তু উপহার দেয়া হলে সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কারণ তা উত্তম সুগন্ধি এবং তা সহজে বহনযোগ্য।[1] সহীহ।
(4172, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4173
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নারীরা যখন সুগন্ধি লাগিয়ে জনসমাজকে এর গন্ধ বিলানোর জন্য তাদের পাশ দিয়ে যাতায়াত করে, সে তখন এরূপ এরূপ। একথা বলে তিনি একটি কঠোর মন্তব্য করেন।[1] হাসান।
(4173, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4174
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমার সাথে এক মহিলার দেখা হলো, যার শরীর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছিল এবং তার (পাতলা) কাপড়ও বাতাসে উড়ছিল। তখন আমি তাকে বলি, হে বেহায়া মহিলা! তুমি কি মাসজিদ থেকে আসছো? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি কি খুশবু ব্যবহার করেছো? সে বললো, হ্যাঁ। তখন আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, আমি আমার প্রিয় আবুল কাসিম [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-কে বলতে শুনেছিঃ যে মহিলা খুশবু লাগিয়ে এ মসজিদে আসে, তার সালাত কবুল হয় না, যতক্ষণ না সে ফিরে গিয়ে নাপাকী গোসলের ন্যায় গোসল করে। (এমন উত্তমরূপে গোসল করে যাতে তার দেহে কোনো সুগন্ধি না থাকে)।[1] সহীহ।
(4174, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4175
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোনো নারী সুগন্ধি লাগাবে, সে যেন আমাদের সাথে ইশার সালাতে উপস্থিত না হয়।[1] সহীহ।
(4175, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4176
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘এক রাতে দু’ হাত ফাঁটা অবস্থায় আমি আমার পরিবারের কাছে হাজির হলে তারা আমার দু’ হাতে জাফরান রঙের প্রলেপ লাগিয়ে দেয়। পরদিন সকালে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে সালাম করলে তিনি আমার সালামের জবাব দেননি এবং মারহাবাও বলেননি বরং তিনি বলেনঃ তুমি ফিরে যাও এবং একে ধুয়ে ফেলো। আমি তা ধুয়ে পুনরায় তাঁর নিকট হাজির হই, কিন্তু সে রঙের কিছুটা তখনও অবশিষ্ট ছিলো। এরপর আমি তাকে সালাম দিলে তিনি আমার সালামের জবাব দেননি। এবং মারহাবাও বলেননি। তিনি বলেনঃ ফিরে যাও এবং হাত থেকে এর রঙ ধুয়ে ফেলো। আমি ফিরে গিয়ে ধুয়ে ফেলে তাঁর কাছে এসে তাঁকে সালাম করি। তখন তিনি আমার সালামের জবাব দেন এবং মারহাবা বলেন। তখন তিনি বলেন, ফিরিশতারা কাফিরের জানাযা, জাফরান রঙ ব্যবহারকারী ও অপবিত্র লোকদের নিকট আসে না। তবে তিনি নাপাক অবস্থায় উযু করার পর পানাহার করতে ও নিদ্রা যেতে অনুমতি দিয়েছেন।[1] হাসান।
(4176, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4177
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কুসম রঙ ব্যবহার করেছিলাম... অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ ঘটনা। তবে প্রথম সূত্রের ঘটনা পূর্ণাঙ্গ। বর্ণনাকারী বলেন, আমি উমার ইবনুল আতা (রহঃ)-কে বললাম, লোকজন কি ইহরাম অবস্থায় ছিলো? তিনি বলেন, না। ইহরামহীন ছিলো।[1] হাসান।
(4177, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4178
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আর-রবী‘ ইবনু আনাস (রহঃ) থেকে তার দু’ জন দাদা ও নানার সূত্রে বর্ণিত। তারা বলেন, আমরা আবূ মূসা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার শরীরে সামান্য পরিমাণও জাফরান থাকে, আল্লাহ তার সালাত কবূল করেন না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, তার দু’ দাদা বা নানার নাম হলো যায়িদ ও যিয়াদ।[1] দুর্বল।
(4178, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)