সহীহ বুখারী
Sahih al-Bukhari | মোট অধ্যায়: 97, মোট হাদিস: 7,589 টি
صحيح البخاري
সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 7,589 টি।
হাদিস তালিকা
সহীহ বুখারী : 7226
সহীহ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْلاَ أَنَّ رِجَالاً يَكْرَهُونَ أَنْ يَتَخَلَّفُوا بَعْدِي وَلاَ أَجِدُ مَا أَحْمِلُهُمْ مَا تَخَلَّفْتُ، لَوَدِدْتُ أَنِّي أُقْتَلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، ثُمَّ أُحْيَا ثُمَّ أُقْتَلُ، ثُمَّ أُحْيَا ثُمَّ أُقْتَلُ، ثُمَّ أُحْيَا ثُمَّ أُقْتَلُ ".
'আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! যদি কিছু লোক আমার সঙ্গে শারীক না হয়ে পিছনে থেকে যাওয়াটা অপছন্দ না করত, আর সকলকে (যুদ্ধে যাওয়ার) বাহন দিতে আমি অক্ষম না হতাম, তাহলে আমি কোন যুদ্ধ থেকেই পিছনে থাকতাম না। আমি অবশ্যই কামনা করি যে, আমাকে আল্লাহর পথে শহীদ করা হয়, আবার জীবিত করা হয়। আবার শহীদ করা হয় আবার জীবিত করা হয়। আবার শহীদ করা হয় আবার জীবিত করা হয়। আবার শহীদ করা হয়।[1] [৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7226, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7227
সহীহ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ وَدِدْتُ أَنِّي لأُقَاتِلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَأُقْتَلُ ثُمَّ أُحْيَا ثُمَّ أُقْتَلُ، ثُمَّ أُحْيَا، ثُمَّ أُقْتَلُ، ثُمَّ أُحْيَا، ثُمَّ أُقْتَلُ، ثُمَّ أُحْيَا ". فَكَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ يَقُولُهُنَّ ثَلاَثًا أَشْهَدُ بِاللَّهِ.
'আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! আমি কামনা করি যেন আমি অবশ্যই আল্লাহর পথে যুদ্ধ করি। এতে আমাকে শহীদ করা হয়। আবার জীবিত করা হয় আবার শহীদ করা হয়। আবার জীবিত করা হয়, আবার শহীদ করা হয়। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বললেন, কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন। এ সম্পর্কে আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি। [৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7227, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7228
সহীহ
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامٍ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَوْ كَانَ عِنْدِي أُحُدٌ ذَهَبًا، لأَحْبَبْتُ أَنْ لاَ يَأْتِيَ ثَلاَثٌ وَعِنْدِي مِنْهُ دِينَارٌ، لَيْسَ شَىْءٌ أُرْصِدُهُ فِي دَيْنٍ عَلَىَّ أَجِدُ مَنْ يَقْبَلُهُ ".
'রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম):
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীঃ যদি ওহুদ পর্বত আমার জন্য স্বর্ণ হয়ে যেত। ৭২২৮. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যদি উহূদ (পাহাড়) পরিমাণ সোনা আমার কাছে থাকত, তাহলে আমি অবশ্যই পছন্দ করতাম যে, তিন রাতও এ অবস্থায় অতিবাহিত না হোক যে ঋণ আদায় করার জন্য ছাড়া একটি দ্বীনারও আমার কাছে থাকুক যা গ্রহণ করার মত লোক পাই। [২৩৮৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7228, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7229
সহীহ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي عُرْوَةُ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوِ اسْتَقْبَلْتُ مِنْ أَمْرِي مَا اسْتَدْبَرْتُ مَا سُقْتُ الْهَدْىَ، وَلَحَلَلْتُ مَعَ النَّاسِ حِينَ حَلُّوا ".
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার কর্তব্য সম্পর্কে যদি আমি আগে জানতাম যা পরে জানতে পেরেছি, তাহলে আমি হাদী (অর্থাৎ কুরবানীর পশু) সঙ্গে নিয়ে আসতাম না এবং লোকেরা যখন (ইহরাম ছেড়ে) হালাল হয়েছে, তখন আমিও হালাল হয়ে যেতাম। [২৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7229, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7230
সহীহ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، عَنْ حَبِيبٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَبَّيْنَا بِالْحَجِّ وَقَدِمْنَا مَكَّةَ لأَرْبَعٍ خَلَوْنَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ، فَأَمَرَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَطُوفَ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ، وَأَنْ نَجْعَلَهَا عُمْرَةً وَلْنَحِلَّ، إِلاَّ مَنْ كَانَ مَعَهُ هَدْىٌ قَالَ وَلَمْ يَكُنْ مَعَ أَحَدٍ مِنَّا هَدْىٌ غَيْرَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَطَلْحَةَ، وَجَاءَ عَلِيٌّ مِنَ الْيَمَنِ مَعَهُ الْهَدْىُ فَقَالَ أَهْلَلْتُ بِمَا أَهَلَّ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا نَنْطَلِقُ إِلَى مِنًى وَذَكَرُ أَحَدِنَا يَقْطُرُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنِّي لَوِ اسْتَقْبَلْتُ مِنْ أَمْرِي مَا اسْتَدْبَرْتُ مَا أَهْدَيْتُ، وَلَوْلاَ أَنَّ مَعِي الْهَدْىَ لَحَلَلْتُ ". قَالَ وَلَقِيَهُ سُرَاقَةُ وَهْوَ يَرْمِي جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَنَا هَذِهِ خَاصَّةً قَالَ " لاَ بَلْ لأَبَدٍ ". قَالَ وَكَانَتْ عَائِشَةُ قَدِمَتْ مَكَّةَ وَهْىَ حَائِضٌ، فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ تَنْسُكَ الْمَنَاسِكَ كُلَّهَا، غَيْرَ أَنَّهَا لاَ تَطُوفُ وَلاَ تُصَلِّي حَتَّى تَطْهُرَ، فَلَمَّا نَزَلُوا الْبَطْحَاءَ قَالَتْ عَائِشَةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَنْطَلِقُونَ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ وَأَنْطَلِقُ بِحَجَّةٍ. قَالَ ثُمَّ أَمَرَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ أَنْ يَنْطَلِقَ مَعَهَا إِلَى التَّنْعِيمِ، فَاعْتَمَرَتْ عُمْرَةً فِي ذِي الْحَجَّةِ بَعْدَ أَيَّامِ الْحَجِّ.
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
জাবির ইবনু তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম এবং আমরা হাজ্জের তালবিয়া পড়লাম। তারপর যিলহাজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর আমরা মক্কা্য় এসে পৌঁছলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করতে এবং সাফা ও মারওয়ার সায়ী করতে নির্দেশ দিলেন এবং এটাকে ‘উমরাহয় পরিণত করে ইহরাম খুলে হালাল হওয়ার জন্য বললেন। যাদের সঙ্গে হাদী (কুরবানীর পশু) ছিল তাদের ছাড়া। জাবির (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ত্বলহা (রাঃ) ব্যতীত আমাদের আর কারো সঙ্গে হাদী ছিল না। এ সময় ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে আসলেন। তাঁর সঙ্গে হাদী ছিল। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেরূপ ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তেমন ইহরাম বেঁধেছি। সাহাবীগণ (রাঃ) বললেন, আমরা মিনার দিকে যাচ্ছি। অথচ আমাদের কারো কারো পুরুষাঙ্গ (স্ত্রী সহবাসের জন্য) উত্তেজিত হচ্ছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি আমার এ কাজে যদি আগে জানতাম যা আমি পরে জানতে পারলাম, তাহলে আমি হাদী সঙ্গে আনতাম না। আর আমার সঙ্গে যদি হাদী না থাকত তাহলে আমি অবশ্যই হালাল হয়ে যেতাম। রাবী বলেন, এমন সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র সঙ্গে সুরাকা ইবনু মালিক (রাঃ) সাক্ষাত করলেন যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরা-ই আকাবাতে কঙ্কর নিক্ষেপ করছিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি কেবল আমাদের জন্যই? তিনি বললেনঃ না, বরং এটা চিরদিনের জন্য। জাবির (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) ঋতুমতী হয়ে মক্কা্য় পৌঁছেছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে নির্দেশ করলেন, হাজ্জের যাবতীয় কার্য যথারীতি আদায় কর, তবে পবিত্র হবার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করো না এবং সালাত আদায় করো না। তারা যখন বাতহা নামক স্থানে নামলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনারা একটি হাজ্জ ও একটি ‘উমরাহ নিয়ে ফিরলেন। আর আমি কেবল একটি হাজ্জ নিয়ে ফিরছি? জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)-কে তাঁকে তানঈমে নিয়ে যাবার হুকুম করলেন। পরে ‘আয়িশাহ (রাঃ) যিলহাজ্জ মাসে হাজ্জের দিনগুলোর পরে একটি ‘উমরাহ আদায় করেন। [১৫৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7230, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7231
সহীহ
حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ أَرِقَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ فَقَالَ " لَيْتَ رَجُلاً صَالِحًا مِنْ أَصْحَابِي يَحْرُسُنِي اللَّيْلَةَ ". إِذْ سَمِعْنَا صَوْتَ السِّلاَحِ قَالَ " مَنْ هَذَا ". قِيلَ سَعْدٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ جِئْتُ أَحْرُسُكَ. فَنَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى سَمِعْنَا غَطِيطَهُ. قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَقَالَتْ عَائِشَةُ قَالَ بِلاَلٌ أَلاَ لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلُ فَأَخْبَرْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم.
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
তিনি বলেন, এক রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জেগে রইলেন। পরে তিনি বললেনঃ যদি আমার সাহাবীদের কোন নেককার লোক আজ রাতে আমার পাহারা দিত! হঠাৎ আমরা অস্ত্রের শব্দ শুনলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ কে? বলা হল, এ হচ্ছে সা‘দ, হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে পাহারা দিতে এসেছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমালেন, এমন কি আমরা তাঁর নাক ডাকার আওয়াজ শুনতে পেলাম।[1] ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, বিলাল (রাঃ) আওড়াচ্ছিলেন- হায়! আমার উপলব্ধি, আমি কি উপত্যকায় রাত কাটাতে পারব, যখন আমার পাশে থাকবে জালীর ও ইয্খির (ঘাস)। পরে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ খবর পৌঁছিয়ে দিলাম। [২৮৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7231, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7232
সহীহ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَحَاسُدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ رَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ الْقُرْآنَ، فَهْوَ يَتْلُوهُ آنَاءَ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ يَقُولُ لَوْ أُوتِيتُ مِثْلَ مَا أُوتِيَ هَذَا لَفَعَلْتُ كَمَا يَفْعَلُ، وَرَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ مَالاً يُنْفِقُهُ فِي حَقِّهِ فَيَقُولُ لَوْ أُوتِيتُ مِثْلَ مَا أُوتِيَ لَفَعَلْتُ كَمَا يَفْعَلُ ". حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، بِهَذَا.
'আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু’টি বিষয় ব্যতীত হিংসা করা যাবে না। এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ্ কুরআন দান করেছেন সে তা দিন রাত তিলাওয়াত করে। কেউ বলল, একে যা দেয়া হয়েছে, যদি আমাকেও তা দেয়া হত, তবে সে যেমন করছে, আমিও তেমন করতাম। আর এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ্ মাল দিয়েছেন, সে তা যথোচিতভাবে খরচ করে। কেউ বলল, তাকে যা দেয়া হয়েছে তা যদি আমাকে দেয়া হত, তাহলে আমি অবশ্যই তাই করতাম, সে যা করে। [৫০২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7232, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7233
সহীহ
حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ أَنَسٌ ـ رضى الله عنه ـ لَوْلاَ أَنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ تَتَمَنَّوُا الْمَوْتَ " لَتَمَنَّيْتُ.
'আল্লাহর নির্দেশ : তোমরা তা কামনা করো না যা দ্বারা আল্লাহ তোমাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা প্রদান করেছেন। পুরুষেরা তাদের কৃতকার্যের অংশ পাবে, নারীরাও তাদের কৃতকর্মের অংশ পাবে এবং তোমরা আল্লাহর নিকট তাঁর অনুগ্রহ কামনা কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ। (সূরাহ আন্-নিসা ৪/৩২) ৭২৩৩. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, যদি আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে না শোনতাম যে, তোমরা মৃত্যু কামনা করো না, তাহলে অবশ্যই আমি কামনা করতাম। [৫৬৭১; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7233, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7234
সহীহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنِ ابْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ أَتَيْنَا خَبَّابَ بْنَ الأَرَتِّ نَعُودُهُ وَقَدِ اكْتَوَى سَبْعًا فَقَالَ لَوْلاَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَانَا أَنْ نَدْعُوَ بِالْمَوْتِ لَدَعَوْتُ بِهِ.
'রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম):
কায়স (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমরা খাব্বাব ইবনু আরাত্ (রাঃ) এর সেবা শুশ্রুষা করার জন্য এলাম। তিনি সাতটি দাগ লাগিয়েছিলেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি আমাদেরকে মৃত্যুর জন্য দু‘আ করতেন নিষেধ না করতেন, তাহলে আমি অবশ্যই এজন্য দু‘আ করতাম। [৫৬৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7234, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7235
সহীহ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ ـ اسْمُهُ سَعْدُ بْنُ عُبَيْدٍ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَزْهَرَ ـ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَتَمَنَّى أَحَدُكُمُ الْمَوْتَ إِمَّا مُحْسِنًا فَلَعَلَّهُ يَزْدَادُ، وَإِمَّا مُسِيئًا فَلَعَلَّهُ يَسْتَعْتِبُ ".
'আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কারণ সে যদি সৎ হয় তবে (বেঁচে থাকলে) হয়ত সে নেক কাজ বৃদ্ধি করবে। আর যদি পাপী হয়, তাহলে হয়ত সে তওবা করবে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (বুখারী) (রহ.) বলেন, আবূ ‘উবায়দ-এর নাম হচ্ছে সা‘দ ইবনু ‘উবায়দ আব্দুর রহমান ইবনু আয্হার এর আযাদকৃত গোলাম। [৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7235, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7236
সহীহ
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ شُعْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَنْقُلُ مَعَنَا التُّرَابَ يَوْمَ الأَحْزَابِ، وَلَقَدْ رَأَيْتُهُ وَارَى التُّرَابُ بَيَاضَ بَطْنِهِ يَقُولُ " لَوْلاَ أَنْتَ مَا اهْتَدَيْنَا نَحْنُ، وَلاَ تَصَدَّقْنَا وَلاَ صَلَّيْنَا، فَأَنْزِلَنْ سَكِينَةً عَلَيْنَا، إِنَّ الأُلَى وَرُبَّمَا قَالَ الْمَلاَ قَدْ بَغَوْا عَلَيْنَا، إِذَا أَرَادُوا فِتْنَةً أَبَيْنَا " أَبَيْنَا يَرْفَعُ بِهَا صَوْتَهُ.
‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
বারাআ ইবনু তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সঙ্গে মাটি উঠাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে দেখতে পেলাম, মাটি তাঁর পেটের শুভ্রতাকে ঢেকে ফেলেছে। তিনি বলছিলেন : (হে আল্লাহ্!) যদি আপনি না করতেন তাহলে আমরা হিদায়াত পেতাম না এবং আমরা দান-সদাকাহ করতাম না, আর আমরা সালাতও পড়তাম না। অতএব আপনি আমাদের উপর শান্তি নাযিল করুন। প্রথম দলটি, কখনো বলতেন, একদল লোক আমাদের উপর যুল্ম করেছে। যখন তারা ফিতনার ইচ্ছে করে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি। ‘প্রত্যাখ্যান করি’- উচ্চস্বরে বলতেন। [২৮১৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7236, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7237
সহীহ
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ ـ وَكَانَ كَاتِبًا لَهُ ـ قَالَ كَتَبَ إِلَيْهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي أَوْفَى فَقَرَأْتُهُ فَإِذَا فِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ، وَسَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ ".
'রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম):
আবূ নাযর সালিম (রাঃ) যিনি ‘উমার ইবনু ‘উবাইদুল্লাহর আযাদ করা গোলাম এবং তার কাতিব (সচিব) ছিলেন, বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তার কাছে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) চিঠি লিখলেন, আমি তা পড়লাম। তাতে লেখা ছিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শত্রুর মুখোমুখী হওয়ার কামনা করো না বরং আল্লাহ্ তা‘আলার কাছে নিরাপত্তা কামনা কর। [২৮১৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7237, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7238
সহীহ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ ذَكَرَ ابْنُ عَبَّاسٍ الْمُتَلاَعِنَيْنِ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ أَهِيَ الَّتِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوْ كُنْتُ رَاجِمًا امْرَأَةً مِنْ غَيْرِ بَيِّنَةٍ ". قَالَ لاَ، تِلْكَ امْرَأَةٌ أَعْلَنَتْ.
'আল্লাহর বাণীঃ তোমাদেরকে দমন করার ক্ষমতা আমার যদি থাকত! (সূরাহ হূদ ১১/৮০) ৭২৩৮. কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রহ.) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) দু’জন লি‘আনকারীর বিষয়ে বর্ণনা করলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু শাদ্দাদ বললেন, এটা কি সেই স্ত্রীলোক যার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, বিনা প্রমাণে যদি কোন মহিলাকে রজম (প্রস্তরাঘাতে মৃত্যুদন্ড দান) করতাম? তিনি বললেন, না, সে মহিলাটি প্রকাশ্যে অশ্লীল কাজ করেছিল। [৫৩১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7238, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7239
সহীহ
حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، قَالَ أَعْتَمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالْعِشَاءِ فَخَرَجَ عُمَرُ فَقَالَ الصَّلاَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، رَقَدَ النِّسَاءُ وَالصِّبْيَانُ، فَخَرَجَ وَرَأْسُهُ يَقْطُرُ يَقُولُ " لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي ـ أَوْ عَلَى النَّاسِ، وَقَالَ سُفْيَانُ أَيْضًا، عَلَى أُمَّتِي ـ لأَمَرْتُهُمْ بِالصَّلاَةِ هَذِهِ السَّاعَةَ ". قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَخَّرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم هَذِهِ الصَّلاَةَ فَجَاءَ عُمَرُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ رَقَدَ النِّسَاءُ وَالْوِلْدَانُ. فَخَرَجَ وَهْوَ يَمْسَحُ الْمَاءَ عَنْ شِقِّهِ يَقُولُ " إِنَّهُ لَلْوَقْتُ، لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي ". وَقَالَ عَمْرٌو حَدَّثَنَا عَطَاءٌ لَيْسَ فِيهِ ابْنُ عَبَّاسٍ أَمَّا عَمْرٌو فَقَالَ رَأْسُهُ يَقْطُرُ. وَقَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ يَمْسَحُ الْمَاءَ عَنْ شِقِّهِ. وَقَالَ عَمْرٌو لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي. وَقَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ إِنَّهُ لَلْوَقْتُ، لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي. وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত:
‘আত্বা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এশার সালাত দেরি হল। তখন ‘উমার (রাঃ) বের হয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সালাত, মহিলা ও শিশুরা ঘুমিয়ে যাচ্ছেন। তখন তিনি বের হয়ে এলেন, তাঁর মাথা থেকে পানি টপ টপ করে পড়ছে। তিনি বলছিলেন, যদি আমার উম্মাতের জন্য কিংবা বলেছিলেন, লোকেদের জন্য, সুফ্ইয়ানও বলেছেন, আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে এ সময়ে সালাত পড়ার হুকুম দিতাম। ইবনু জুরায়জ ‘আত্বার সূত্রে ইবনু যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সালাত বিলম্ব করলেন। ফলে ‘উমার (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! মহিলা ও শিশুরা ঘুমিয়ে যাচ্ছে। তখন তিনি তাঁর মাথার পাশ থেকে পানি মুছতে মুছতে বের হয়ে এসে বললেনঃ আসলে এটাই সময়। এরপর বললেনঃ যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম.....। ‘আমর এ হাদীসটি ‘আত্বা থেকে বর্ণনা করেন, সে সূত্রে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নাম নেই। তবে ‘আমর বলেছেন যে, তাঁর মাথা থেকে পানি টপ টপ করে পড়ছিল। আর ইবনু জুরায়জ বলেন, তিনি তাঁর মাথার এক পাশ থেকে পানি মুছছিলেন। আবার ‘আমরের বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম। আর ইবনু জুরায়জ বলেন, এটাই সময়। যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম.....। তবে ইব্রাহীম ইবনু মুনযির ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণিত আছে। [৫৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7239, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7240
সহীহ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ ".
'আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের উপর যদি কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে আমি তাদেরকে মিস্ওয়াক করার হুকুম করতাম। [৮৮৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7240, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7241
সহীহ
حَدَّثَنَا عَيَّاشُ بْنُ الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، رضى الله عنه قَالَ وَاصَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم آخِرَ الشَّهْرِ، وَوَاصَلَ أُنَاسٌ، مِنَ النَّاسِ فَبَلَغَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " لَوْ مُدَّ بِيَ الشَّهْرُ لَوَاصَلْتُ وِصَالاً يَدَعُ الْمُتَعَمِّقُونَ تَعَمُّقَهُمْ، إِنِّي لَسْتُ مِثْلَكُمْ، إِنِّي أَظَلُّ يُطْعِمُنِي رَبِّي وَيَسْقِينِ ". تَابَعَهُ سُلَيْمَانُ بْنُ مُغِيرَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
'আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত:
যে, (কোন এক) মাসের শেষভাগে নবী বিরতিহীন সওম রাখলেন এবং আরো কতিপয় লোকও বিরতিহীনভাবে সওম রাখল। এ সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ যদি আমার এ মাস প্রলম্বিত হত, তবুও আমি এভাবে বিরতিহীন সওম পালন করতাম। যাতে অধিক কষ্টকারীরা তাদের কষ্ট করা ত্যাগ করে। আমি তো তোমাদের মত নই, আমার প্রতিপালক আমাকে আহার করান এবং পান করান। সুলায়মান ইবনু মুগীরাহ আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হুমায়দ-এর অনুসরণ করেছেন। [১৯৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7241, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7242
সহীহ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، وَقَالَ اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْوِصَالِ، قَالُوا فَإِنَّكَ تُوَاصِلُ. قَالَ " أَيُّكُمْ مِثْلِي، إِنِّي أَبِيتُ يُطْعِمُنِي رَبِّي وَيَسْقِينِ ". فَلَمَّا أَبَوْا أَنْ يَنْتَهُوا وَاصَلَ بِهِمْ يَوْمًا ثُمَّ يَوْمًا ثُمَّ رَأَوُا الْهِلاَلَ فَقَالَ " لَوْ تَأَخَّرَ لَزِدْتُكُمْ ". كَالْمُنَكِّلِ لَهُمْ.
'আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিরতিহীন সওম পালন করতে নিষেধ করলেন। সাহাবীগণ বললেন, আপনি বিরতিহীন সওম পালন করছেন? তিনি বললেনঃ তোমাদের কে আছ আমার মতো? আমি তো রাত কাটাই যাতে আমার প্রতিপালক আমাকে খাওয়ান ও পান করান। কিন্তু তারা যখন বিরত থাকতে অস্বীকৃতি জানাল, তখন তিনি তাদেরসহ একদিন, তারপর আর একদিন সওম পালন করলেন। তারপর তারা নতুন চাঁদ দেখতে পেলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি চাঁদ আরো (কয়দিন) পরে উদিত হত, তাহলে আমি অবশ্যই তোমাদের (সওম) বাড়াতাম। তিনি যেন তাদেরকে শাসন করছিলেন। [১৯৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7242, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7243
সহীহ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، حَدَّثَنَا أَشْعَثُ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْجَدْرِ أَمِنَ الْبَيْتِ هُوَ قَالَ " نَعَمْ ". قُلْتُ فَمَا لَهُمْ لَمْ يُدْخِلُوهُ فِي الْبَيْتِ قَالَ " إِنَّ قَوْمَكِ قَصَّرَتْ بِهِمُ النَّفَقَةُ ". قُلْتُ فَمَا شَأْنُ بَابِهِ مُرْتَفِعًا قَالَ " فَعَلَ ذَاكِ قَوْمُكِ، لِيُدْخِلُوا مَنْ شَاءُوا، وَيَمْنَعُوا مَنْ شَاءُوا، لَوْلاَ أَنَّ قَوْمَكِ حَدِيثٌ عَهْدُهُمْ بِالْجَاهِلِيَّةِ، فَأَخَافُ أَنْ تُنْكِرَ قُلُوبُهُمْ أَنْ أُدْخِلَ الْجَدْرَ فِي الْبَيْتِ، وَأَنْ أُلْصِقَ بَابَهُ فِي الأَرْضِ ".
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কা‘বার বাইরের দেয়াল (হাতীম) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, সেটা কি কা‘বা ঘরের অংশ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। আমি বললাম, তাহলে তারা এ অংশকে ঘরে শামিল করল না কেন? তিনি বললেনঃ তোমার গোত্রের খরচে কমতি দেখা দিয়েছিল। আমি বললামঃ এর দরজাটা এত উঁচুতে বানানো হল কেন? তিনি বললেনঃ এটা তোমার কওম এ জন্য করেছিল, যাতে তারা যাকে ইচ্ছে ঢুকতে দেবে এবং যাকে ইচ্ছে বাধা দেবে। তোমার কওম যদি সবে জাহিলীয়্যাত মুক্ত না হত, অতঃপর তাদের অন্তর বিগড়ে যাবার আশঙ্কা না করতাম তাহলে দেয়ালটিকে ঘরের মাঝে শামিল করে দিতাম এবং এর দরজাকে ভূমি বরাবর করে দিতাম। [১২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7243, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7244
সহীহ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوْلاَ الْهِجْرَةُ لَكُنْتُ امْرَأً مِنَ الأَنْصَارِ، وَلَوْ سَلَكَ النَّاسُ وَادِيًا وَسَلَكَتِ الأَنْصَارُ وَادِيًا ـ أَوْ شِعْبًا ـ لَسَلَكْتُ وَادِيَ الأَنْصَارِ أَوْ شِعْبَ الأَنْصَارِ ".
'আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি হিজরাত (মহান আল্লাহ কর্তৃক ঘোষিত একটি মর্যাদাপূর্ণ পন্থা) না হত, তাহলে আমি আনসারদের একজন হতাম। আর যদি লোকেরা এক উপত্যকা দিয়ে চলত আর আনসাররা অন্য উপত্যকা দিয়ে কিংবা গিরিপথ দিয়ে চলত, তাহলে আমি আনসারদের উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়েই চলতাম। [৩৭৭৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7244, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 7245
সহীহ
حَدَّثَنَا مُوسَى، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَوْلاَ الْهِجْرَةُ لَكُنْتُ امْرَأً مِنَ الأَنْصَارِ، وَلَوْ سَلَكَ النَّاسُ وَادِيًا أَوْ شِعْبًا، لَسَلَكْتُ وَادِيَ الأَنْصَارِ وَشِعْبَهَا ". تَابَعَهُ أَبُو التَّيَّاحِ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الشِّعْبِ.
'রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম):
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যদি হিজরাত না হত, তাহলে আমি আনসারদের একজন হতাম। আর লোকেরা যদি কোন এক উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়ে চলত, তাহলে আমি আনসারদের উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়েই চলতাম। আবূ তাইয়াহ্ (রহ.) আনাস (রাঃ)-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরকম হাদীস ‘উপত্যকার’ কথা উল্লেখ করে ‘আব্বাস ইবনু তামীম-এর অনুসরণ করেছেন। [৪৩৩০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
(7245, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)