সহীহ বুখারী
Sahih al-Bukhari | মোট অধ্যায়: 97, মোট হাদিস: 7,589 টি
صحيح البخاري
সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 7,589 টি।
হাদিস তালিকা
সহীহ বুখারী : 2517
সহীহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنِي وَاقِدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنِي سَعِيدٌ ابْنُ مَرْجَانَةَ، صَاحِبُ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ قَالَ لِي أَبُو هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَيُّمَا رَجُلٍ أَعْتَقَ امْرَأً مُسْلِمًا اسْتَنْقَذَ اللَّهُ بِكُلِّ عُضْوٍ مِنْهُ عُضْوًا مِنْهُ مِنَ النَّارِ ". قَالَ سَعِيدٌ ابْنُ مَرْجَانَةَ فَانْطَلَقْتُ إِلَى عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ فَعَمَدَ عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنٍ ـ رضى الله عنهما ـ إِلَى عَبْدٍ لَهُ قَدْ أَعْطَاهُ بِهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ عَشَرَةَ آلاَفِ دِرْهَمٍ ـ أَوْ أَلْفَ دِينَارٍ ـ فَأَعْتَقَهُ.
'আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘ক্রীতদাস মুক্তি অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে ইয়াতীম আত্মীয়কে অন্নদান।’’ (বালাদ (৯০) : ১৩) ২৫১৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ কোন মুসলিম ক্রীতদাস মুক্ত করলে আল্লাহ সেই ক্রীতদাসের প্রত্যেক অঙ্গের বিনিময়ে তার এক একটি অঙ্গ (জাহান্নামের) আগুন হতে মুক্ত করবেন। সাঈদ ইবনু মারজানা (রাঃ) বলেন, এ হাদীসটি আমি আলী ইবনু হুসাইনের খিদমতে পেশ করলাম। তখন ‘আলী ইবনু হুসাইন (রাঃ) তাঁর এক ক্রীতদাসের কাছে উঠে গেলেন যার বিনিময়ে ‘আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফার (রাঃ) তাকে দশ হাজার দিরহাম কিংবা এক হাজার দ্বীনার দিতে চেয়েছিলেন এবং তিনি তাকে মুক্ত করে দিলেন। (৬৭১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2517, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2518
সহীহ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي مُرَاوِحٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الْعَمَلِ أَفْضَلُ، قَالَ " إِيمَانٌ بِاللَّهِ، وَجِهَادٌ فِي سَبِيلِهِ ". قُلْتُ فَأَىُّ الرِّقَابِ أَفْضَلُ قَالَ " أَغْلاَهَا ثَمَنًا، وَأَنْفَسُهَا عِنْدَ أَهْلِهَا ". قُلْتُ فَإِنْ لَمْ أَفْعَلْ. قَالَ " تُعِينُ صَانِعًا أَوْ تَصْنَعُ لأَخْرَقَ ". قَالَ فَإِنْ لَمْ أَفْعَلْ. قَالَ " تَدَعُ النَّاسَ مِنَ الشَّرِّ، فَإِنَّهَا صَدَقَةٌ تَصَدَّقُ بِهَا عَلَى نَفْسِكَ ".
'আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোন্ ‘আমল উত্তম? তিনি বললেন, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং তাঁর পথে জিহাদ করা। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোন্ ধরনের ক্রীতদাস মুক্ত করা উত্তম? তিনি বললেন, যে ক্রীতদাসের মূল্য অধিক এবং যে ক্রীতদাস তার মনিবের কাছে অধিক আকর্ষণীয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ যদি আমি করতে না পারি? তিনি বললেন, তাহলে কাজের লোককে (তার কাজে) সাহায্য করবে কিংবা বেকারকে কাজ দিবে। আমি (আবারও) বললাম, এও যদি না পারি? তিনি বললেন, মানুষকে তোমার অনিষ্টতা হতে মুক্ত রাখবে। বস্তুতঃ এটা তোমার নিজের জন্য তোমার পক্ষ হতে সাদাকাহ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2518, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2519
সহীহ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مَسْعُودٍ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ بْنُ قُدَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَتْ أَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالْعَتَاقَةِ فِي كُسُوفِ الشَّمْسِ. تَابَعَهُ عَلِيٌّ عَنِ الدَّرَاوَرْدِيِّ عَنْ هِشَامٍ.
'আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যগ্রহণের সময় ক্রীতদাস মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আলী (রহ.) দরাওয়ারদী (রহ.) সূত্রে হিশাম (রহ.) হাদীস বর্ণনায় মূসা ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। (৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2519, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2520
সহীহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَثَّامٌ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَتْ كُنَّا نُؤْمَرُ عِنْدَ الْخُسُوفِ بِالْعَتَاقَةِ.
'আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, সূর্য গ্রহণের সময় আমাদেরকে ক্রীতদাস মুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হত। (৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2520, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2521
সহীহ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَعْتَقَ عَبْدًا بَيْنَ اثْنَيْنِ، فَإِنْ كَانَ مُوسِرًا قُوِّمَ عَلَيْهِ ثُمَّ يُعْتَقُ ".
‘উমার (রাঃ)] হতে বর্ণিত।:
সালিমের পিতা [ইবনু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দু’জনের মালিকানাধীন ক্রীতদাস মুক্ত করে, সে সচ্ছল হলে প্রথমে ক্রীতদাসের মূল্য নির্ধারণ করা হবে, তারপর মুক্ত করবে। (২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2521, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2522
সহীহ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي عَبْدٍ، فَكَانَ لَهُ مَالٌ يَبْلُغُ ثَمَنَ الْعَبْدِ قُوِّمَ الْعَبْدُ قِيمَةَ عَدْلٍ، فَأَعْطَى شُرَكَاءَهُ حِصَصَهُمْ وَعَتَقَ عَلَيْهِ، وَإِلاَّ فَقَدْ عَتَقَ مِنْهُ مَا عَتَقَ ".
‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
‘আবদুল্লাহ ইবনু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি কোন ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে আর ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ তার কাছে থাকে, তবে তার উপর দায়িত্ব হবে ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নির্ণয় করা। তারপর সে শরীকদেরকে তাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করবে এবং ক্রীতদাসটি তার পক্ষ হতে মুক্ত হয়ে যাবে, কিন্তু (সে পরিমাণ অর্থ) না থাকলে তার পক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে যতটুকু সে মুক্ত করেছে। (২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2522, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2523
সহীহ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي مَمْلُوكٍ فَعَلَيْهِ عِتْقُهُ كُلِّهِ، إِنْ كَانَ لَهُ مَالٌ يَبْلُغُ ثَمَنَهُ، فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ يُقَوَّمُ عَلَيْهِ قِيمَةَ عَدْلٍ، فَأُعْتِقَ مِنْهُ مَا أَعْتَقَ ". حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرٌ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، اخْتَصَرَهُ.
‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
ইবনু তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ কোন (শরীকী) ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করলে ঐ ক্রীতদাসের সম্পূর্ণটা মুক্ত করা তার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়বে, যদি তার কাছে সেই ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ থাকে। আর যদি তার কাছে কোন অর্থ না থাকে তাহলে তার দায়িত্ব হবে আযাদকৃত (গোলামের) ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা। এতে আযাদকারীর পক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে, যতটুকু সে মুক্ত করেছে। মুসাদ্দাদ (রহ.) বিশর ইবনু মুফায্যাল (রহ.) সূত্রে ‘উবায়দুল্লাহ (রহ.) থেকে উক্ত হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত আছে। (২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2523, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2524
সহীহ
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَعْتَقَ نَصِيبًا لَهُ فِي مَمْلُوكٍ أَوْ شِرْكًا لَهُ فِي عَبْدٍ، وَكَانَ لَهُ مِنَ الْمَالِ مَا يَبْلُغُ قِيمَتَهُ بِقِيمَةِ الْعَدْلِ، فَهْوَ عَتِيقٌ ". قَالَ نَافِعٌ وَإِلاَّ فَقَدْ عَتَقَ مِنْهُ مَا عَتَقَ. قَالَ أَيُّوبُ لاَ أَدْرِي أَشَىْءٌ قَالَهُ نَافِعٌ، أَوْ شَىْءٌ فِي الْحَدِيثِ.
‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
ইবনু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ কোন (শরীকী) ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে এবং ক্রীতদাসের ন্যায্যমূল্য পরিমাণ অর্থ তার কাছে থাকলে, সেই ক্রীতদাস সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে যাবে। নাফি‘ (রহ.) বলেন, আর সেই পরিমাণ অর্থ না থাকলে যতটুকু সে মুক্ত করবে তারপক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে। রাবী আইউব (রহ.) বলেন, আমি জানি না, এটা কি নাফী‘ (রহ.) নিজ হতে বলেছেন, না এটাও হাদীসের অন্তর্ভুক্ত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2524, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2525
সহীহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مِقْدَامٍ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهُ كَانَ يُفْتِي فِي الْعَبْدِ أَوِ الأَمَةِ يَكُونُ بَيْنَ شُرَكَاءَ، فَيُعْتِقُ أَحَدُهُمْ نَصِيبَهُ مِنْهُ، يَقُولُ قَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ عِتْقُهُ كُلِّهِ، إِذَا كَانَ لِلَّذِي أَعْتَقَ مِنَ الْمَالِ مَا يَبْلُغُ، يُقَوَّمُ مِنْ مَالِهِ قِيمَةَ الْعَدْلِ، وَيُدْفَعُ إِلَى الشُّرَكَاءِ أَنْصِبَاؤُهُمْ، وَيُخَلَّى سَبِيلُ الْمُعْتَقِ. يُخْبِرُ ذَلِكَ ابْنُ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. وَرَوَاهُ اللَّيْثُ وَابْنُ أَبِي ذِئْبٍ وَابْنُ إِسْحَاقَ وَجُوَيْرِيَةُ وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُخْتَصَرًا.
‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
ইবনু তিনি শরীকী ক্রীতদাস বা বাঁদী সম্পর্কে ফাতওয়া দিতেন যে, শরীকী ক্রীতদাস শরীকদের কেউ নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে তিনি বলতেন, সম্পূর্ণ ক্রীতদাসটাই আযাদ করা তার উপর ওয়াজিব হয়ে গেছে। যদি আযাদকারীর কাছে ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ থাকে, তাহলে সে অর্থ হতে ক্রীতদাসের ন্যায্যমূল্য নির্ণয় করা হবে এবং শরীকদেরকে তাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করা হবে, আর আযাদকৃত ক্রীতদাস পূর্ণ মুক্ত হয়ে যাবে। বক্তব্যটি ইবনু ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৯ প্রথমাংশ) এবং লাইস, ইবনু আবূ যি‘ব, ইবনু ইসহাক জুওয়াইরিয়া, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ ও ইসমাঈল ইবনু উমাইয়া (রহ.) নাফি‘ (রহ.)-এর মাধ্যমে ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী হতে হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। (২৪৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৩৫৯ শেষাংশ)
(2525, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2526
সহীহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي رَجَاءٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، سَمِعْتُ قَتَادَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي النَّضْرُ بْنُ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم {مَنْ أَعْتَقَ شَقِيصًا مِنْ عَبْدٍ }
'আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘‘কেউ শরীকী ক্রীতদাস হতে নিজের ভাগ বা অংশ (রাবীর দ্বিধা) মুক্ত করে দিলে .......’’। (২৪৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ নেই)
(2526, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2527
সহীহ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَعْتَقَ نَصِيبًا أَوْ شَقِيصًا فِي مَمْلُوكٍ، فَخَلاَصُهُ عَلَيْهِ فِي مَالِهِ إِنْ كَانَ لَهُ مَالٌ، وَإِلاَّ قُوِّمَ عَلَيْهِ، فَاسْتُسْعِيَ بِهِ غَيْرَ مَشْقُوقٍ عَلَيْهِ ". تَابَعَهُ حَجَّاجُ بْنُ حَجَّاجٍ وَأَبَانُ وَمُوسَى بْنُ خَلَفٍ عَنْ قَتَادَةَ. اخْتَصَرَهُ شُعْبَةُ.
'আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কেউ শরীকী ক্রীতদাস হতে নিজের ভাগ বা অংশ (রাবীর দ্বিধা) মুক্ত করে দিলে অর্থ ব্যয়ে সেই ক্রীতদাসকে নিষ্কৃতি দেয়া তার উপর কর্তব্য, যদি তার কাছে প্রয়োজনীয় অর্থ থাকে। অন্যথায় তার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং তাকে অতিরিক্ত কষ্ট না দিয়ে উপার্জন করতে বলা হবে। হাজ্জাজ ইবনু হাজ্জাজ, আবান ও মূসা ইবনু খালাফ (রহ.) কাতাদাহ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। হাদীসটি শু‘বা (রহ.) সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। (২৪৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2527, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2528
সহীহ
حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ تَجَاوَزَ لِي عَنْ أُمَّتِي مَا وَسْوَسَتْ بِهِ صُدُورُهَا، مَا لَمْ تَعْمَلْ أَوْ تَكَلَّمْ ".
'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে, যা সে নিয়্যাত করবে এবং যে ব্যক্তি অনিচ্ছায় বা ভুলবশত কিছু বলে, তার কোন নিয়্যাত থাকে না। ২৫২৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (আমার বরকতে) আল্লাহ আমার উম্মতের অন্তরে উদিত ওয়াসওয়াসা (পাপের ভাব ও চেতনা) মাফ করে দিয়েছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তা কাজে পরিণত করে অথবা মুখে বলে। (৬৬৬৪, ৫২৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2528, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2529
সহীহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ، وَلاِمْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا، أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا، فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ ".
‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমলসমূহ নিয়্যাতের সাথে সম্পৃক্ত। আর মানুষ তাই পাবে, যা সে নিয়্যাত করবে। কাজেই কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশে হিজরত করে থাকলে তার সে হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশে বলেই গণ্য হবে। আর যার হিজরত হবে দুনিয়া হাসিলের উদ্দেশে অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার মতলবে; তার হিজরত সে উদ্দেশে বলেই গণ্য হবে। (১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2529, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2530
সহীহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّهُ لَمَّا أَقْبَلَ يُرِيدُ الإِسْلاَمَ وَمَعَهُ غُلاَمُهُ، ضَلَّ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِنْ صَاحِبِهِ، فَأَقْبَلَ بَعْدَ ذَلِكَ وَأَبُو هُرَيْرَةَ جَالِسٌ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " يَا أَبَا هُرَيْرَةَ، هَذَا غُلاَمُكَ قَدْ أَتَاكَ ". فَقَالَ أَمَا إِنِّي أُشْهِدُكَ أَنَّهُ حُرٌّ. قَالَ فَهُوَ حِينَ يَقُولُ يَا لَيْلَةً مِنْ طُولِهَا وَعَنَائِهَا عَلَى أَنَّهَا مِنْ دَارَةِ الْكُفْرِ نَجَّتِ
'আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
যে, তিনি ইসলাম গ্রহণের ইচ্ছায় আপন ক্রীতদাসকে সাথে নিয়ে (মদ্বীনায়) আসছিলেন। পথে তারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। পরে ক্রীতদাসটি এসে পৌঁছল। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সে সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমাতে উপবিষ্ট ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ হুরাইরাহ! দেখ, তোমার ক্রীতদাস এসে গেছে। তখন তিনি বললেন, শুনুন; আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, সে মুক্ত। রাবী বলেন, (মদ্বীনায়) পৌঁছে তিনি বলতেন: কত দীর্ঘ আর কষ্টদায়কই না ছিল হিজরতের সে রাত, তবুও তা আমাকে দারুল কুফর হতে মুক্তি দিয়েছে। (৪৩৯৩, ২৫৩২, ২৫৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2530, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2531
সহীহ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ لَمَّا قَدِمْتُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ فِي الطَّرِيقِ يَا لَيْلَةً مِنْ طُولِهَا وَعَنَائِهَا عَلَى أَنَّهَا مِنْ دَارَةِ الْكُفْرِ نَجَّتِ قَالَ وَأَبَقَ مِنِّي غُلاَمٌ لِي فِي الطَّرِيقِ ـ قَالَ ـ فَلَمَّا قَدِمْتُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بَايَعْتُهُ، فَبَيْنَا أَنَا عِنْدَهُ إِذْ طَلَعَ الْغُلاَمُ، فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا أَبَا هُرَيْرَةَ، هَذَا غُلاَمُكَ ". فَقُلْتُ هُوَ حُرٌّ لِوَجْهِ اللَّهِ. فَأَعْتَقْتُهُ. لَمْ يَقُلْ أَبُو كُرَيْبٍ عَنْ أَبِي أُسَامَةَ حُرٌّ.
'আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, নবীজীর খিদমতে আগমনকালে আমি পথে পথে (কবিতা) বলতামঃ হিজরতের সে রাত কত না দীর্ঘ আর কষ্টদায়ক ছিল- তবুও তা আমাকে দারুল কুফর হতে মুক্তি দিয়েছে। তিনি বলেন, পথে আমার এক ক্রীতদাস পালিয়ে গিয়েছিল। যখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে এসে তাঁর (হাতে) বায়‘আত হলাম। আমি তাঁর খিদমাতেই ছিলাম, এ সময় ক্রীতদাসটি এসে হাযির হল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ হুরাইরাহ! এই যে, তোমার ক্রীতদাস! আমি বললাম, সে আল্লাহর ওয়াস্তে আযাদ। এই বলে তাকে মুক্ত করে দিলাম। আবূ ‘আবদুল্লাহ (বুখারী) (রহ.) বলেন, আবূ কুরাইব (রহ.) আবূ উসামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত রিওয়ায়াতে حُرٌّ শব্দ বলেননি। (২৫৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2531, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2532
সহীহ
حَدَّثَنَا شِهَابُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ لَمَّا أَقْبَلَ أَبُو هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ وَمَعَهُ غُلاَمُهُ وَهْوَ يَطْلُبُ الإِسْلاَمَ، فَأَضَلَّ أَحَدُهُمَا صَاحِبَهُ بِهَذَا، وَقَالَ أَمَا إِنِّي أُشْهِدُكَ أَنَّهُ لِلَّهِ.
'কাইস (রহ.) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) তাঁর ক্রীতদাসকে সাথে করে ইসলামের উদ্দেশে (মদিনা) আগমনকালে পথিমধ্যে তারা একে অপরকে হারিয়ে ফেললেন এবং তিনি (আবূ হুরাইরাহ) বললেন, শুনুন! আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, সে আল্লাহর জন্য। (২৫৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2532, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2533
সহীহ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ إِنَّ عُتْبَةَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ عَهِدَ إِلَى أَخِيهِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنْ يَقْبِضَ إِلَيْهِ ابْنَ وَلِيدَةِ زَمْعَةَ، قَالَ عُتْبَةُ إِنَّهُ ابْنِي. فَلَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم زَمَنَ الْفَتْحِ أَخَذَ سَعْدٌ ابْنَ وَلِيدَةِ زَمْعَةَ. فَأَقْبَلَ بِهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَقْبَلَ مَعَهُ بِعَبْدِ بْنِ زَمْعَةَ. فَقَالَ سَعْدٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا ابْنُ أَخِي عَهِدَ إِلَىَّ أَنَّهُ ابْنُهُ. فَقَالَ عَبْدُ بْنُ زَمْعَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا أَخِي ابْنُ وَلِيدَةِ زَمْعَةَ، وُلِدَ عَلَى فِرَاشِهِ. فَنَظَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى ابْنِ وَلِيدَةِ زَمْعَةَ، فَإِذَا هُوَ أَشْبَهُ النَّاسِ بِهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هُوَ لَكَ يَا عَبْدُ بْنَ زَمْعَةَ ". مِنْ أَجْلِ أَنَّهُ وُلِدَ عَلَى فِرَاشِ أَبِيهِ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " احْتَجِبِي مِنْهُ يَا سَوْدَةُ بِنْتَ زَمْعَةَ ". مِمَّا رَأَى مِنْ شَبَهِهِ بِعُتْبَةَ. وَكَانَتْ سَوْدَةُ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
'আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, কিয়ামতের একটি আলামত এই যে, বাঁদী তার মুনিবকে প্রসব করবে। ২৫৩৩. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, ‘উতবাহ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস আপন ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাসকে ওসীয়্যাত করেছিলেন, তিনি যেন যাম‘আর দাসীর গর্ভজাত পুত্রকে গ্রহণ করেন (কারণ স্বরূপ) ‘উতবাহ বলেছিলেন, সে আমার (ঔরসজাত) পুত্র। মক্কা বিজয়কালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় তাশরীফ আনলেন; তখন সা‘দ যাম‘আর দাসীর পুত্রকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে আসলেন এবং তার সাথে আব্দ ইবনু যাম‘আকে নিয়ে আসলেন। সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ আমার ভাই, যাম‘আর পুত্র। তার শয্যাতেই এ জন্ম নিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন যাম‘আর দাসীর পুত্রের দিকে তাকালেন। দেখলেন, উতবার সাথেই তার (আদলের) সর্বাধিক মিল। তবু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আব্দ ইবনু যাম‘আ! এ তোমারই (ভাই), কেননা এ তার (আব্দ ইবনু যাম‘আর) শয্যাতে জন্মগ্রহণ করেছে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে সাওদা বিনতে যাম‘আ! তুমি এ হতে পর্দা করবে। কেননা, তিনি উতবার সাথেই তার (চেহারার) মিল দেখতে পেয়েছিলেন। সাওদা ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর স্ত্রী। (২০৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2533, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2534
সহীহ
حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ أَعْتَقَ رَجُلٌ مِنَّا عَبْدًا لَهُ عَنْ دُبُرٍ، فَدَعَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِهِ فَبَاعَهُ. قَالَ جَابِرٌ مَاتَ الْغُلاَمُ عَامَ أَوَّلَ.
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
জাবির ইবনু তিনি বলেন, আমাদের কোন একজন তার এক ক্রীতদাসকে মুদাববার (মনিবের মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস মুক্ত বলে ঘোষিত হয়) রূপে মুক্ত ঘোষণা করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ক্রীতদাসকে ডেকে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, ক্রীতদাসটি সে বছরই মারা গিয়েছিল। (২১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2534, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2535
সহীহ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ الْوَلاَءِ، وَعَنْ هِبَتِهِ.
‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত।:
ইবনু তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রি করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন। (৬৭৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2535, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ বুখারী : 2536
সহীহ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتِ اشْتَرَيْتُ بَرِيرَةَ فَاشْتَرَطَ أَهْلُهَا وَلاَءَهَا، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " أَعْتِقِيهَا، فَإِنَّ الْوَلاَءَ لِمَنْ أَعْطَى الْوَرِقَ ". فَأَعْتَقْتُهَا، فَدَعَاهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَخَيَّرَهَا مِنْ زَوْجِهَا فَقَالَتْ لَوْ أَعْطَانِي كَذَا وَكَذَا مَا ثَبَتُّ عِنْدَهُ. فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا.
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, বারীরাকে আমি (আযাদ করার নিয়্যতে) খরিদ করলাম, তখন তার (পূর্বতন) মালিক অভিভাবকত্বের শর্তারোপ করল। প্রসঙ্গটি আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে উত্থাপন করলাম। তিনি বললেন, তুমি তাকে মুক্ত করে দাও। অভিভাবকত্ব সেই লাভ করবে, যে অর্থ ব্যয় করবে। তখন আমি তাকে মুক্ত করে দিলাম। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার দিলেন। বারীরা (রাঃ) বললেন, যদি সে আমাকে এত এত সম্পদও দেয় তবু আমি তার কাছে থাকব না। অবশেষে তিনি তার ইখতিয়ার প্রয়োগ করলেন। (৪৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(2536, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)