সহীহ মুসলিম
Sahih Muslim | মোট অধ্যায়: 56, মোট হাদিস: 7,563 টি
صحيح مسلم
সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 7,563 টি।
হাদিস তালিকা
সহীহ মুসলিম : 6723
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র আল হামদানী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাদিকুল মাসদুক (ন্যায়পরায়ণ ও ন্যায়নিষ্ঠরূপে প্রত্যায়িত) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তোমাদের প্রত্যেকের শুক্ৰকীট তার মায়ের গর্ভে চল্লিশ দিন একত্রিত করা হয়। তারপর হুবহু চল্লিশ দিন জমাট রক্তপিণ্ডে পরিণত হয়। তারপর হুবহু চল্লিশ দিনে তা একটি গোশত টুকরায় পরিণত হয়। তারপর আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতাকে প্রেরণ করা হয়। সে তাতে রূহ ফুকে দেয়। আর তাকে চারটি কালিমা (বিষয়) লিপিবদ্ধ করার আদেশ করা হয়। রিযক, মৃত্যুক্ষণ, কর্ম, বদকার ও নেক্কার। সে সত্তার শপথ যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। নিশ্চয়ই তোমাদের মাঝ হতে কেউ জান্নাতীদের ‘আমলের ন্যায় আমল করতে থাকে। অবশেষে তার ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র একহাত দূরত্ব থাকে। অতঃপর ভাগ্যের লিখন তার উপর জয়ী হয়ে যায়। ফলে সে জাহান্নামীদের কর্ম শুরু করে। এরপর সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হয়। আর তোমাদের মধ্যে কোন কোন ব্যক্তি জাহান্নামের কাজ-কর্ম করতে থাকে। ফলে জাহান্নামের মাঝে ও তার মাঝে মাত্র একহাত দূরত্ব থাকে। তারপর ভাগ্যলিপি তার উপর জয়ী হয়। ফলে সে জান্নাতীদের ন্যায় আমল করে। অবশেষে জান্নাতে প্রবিষ্ট হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৮২, ইসলামিক সেন্টার)
(6723, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6724
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আবু সাঈদ আল আশাজ্জ ও উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... জারীর ইবনু আবদুল হামীদ, ঈসা ইবনু ইউনুস, ওয়াকী ও শুবাহ ইবনুল হাজ্জাজ (রহঃ) সকলে আ'মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি (আ'মাশ) ওয়াকী বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, নিশ্চয়ই তোমাদের কারো সৃষ্টি (শুককীট) তার মায়ের গর্ভে চল্লিশ রাত্রি একত্রিত রাখা হয়। আর তিনি শু’বার সানাদে মুআয বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, চল্লিশ রাত কিংবা চল্লিশ দিন। কিন্তু জারীর ও ঈসা (রহঃ) এর হাদীসে কেবলমাত্র أَرْبَعِينَ يَوْمًا (চল্লিশ দিবসের) কথা উল্লেখ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
(6724, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6725
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... হুযইফাহ্ ইবনু আসীদ (রহঃ) হতে মারফু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জরায়ুতে চল্লিশ অথবা পয়তাল্লিশ দিন রেণু জমা থাকার পর সেখানে ফেরেশতা গমন করে। অতঃপর সে বলতে থাকে, হে আমার প্রভু! সে কি হতভাগ্য না সৌভাগ্যবান? তখন উভয়টাতে লিপিবদ্ধ করা হয়। তারপর সে বলতে থাকে, হে আমার রব! সে কি পুরুষ না মহিলা? তখন আদেশ অনুসারে উভয়টা লিপিবদ্ধ করা হয়। তার আমল, আচরণ, মৃত্যুক্ষণ ও জীবনোপকরণ লিপিবদ্ধ করা হয়। তারপর ফলকটিকে পেঁচিয়ে দেয়া হয়। তাতে কোন অতিরিক্ত করা হবে না এবং ঘাটতিও হবে না! (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
(6725, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6726
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আবু তাহির, আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ (রহঃ) ..... আমির ইবনু ওয়াসিলাহ্ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন, দুর্ভাগ্য সে লোক, যে তার মায়ের গর্ভ হতে দুর্ভাগা আর সৌভাগ্যবান লোক সে, যে অন্যের নিকট হতে উপদেশ লাভ করে। অতঃপর তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহাবাদের মধ্য থেকে একজন সহাবা যাকে হুযাইফাহ ইবনু আসীদ আল গিফারী বলা হয় তার কাছে আসলেন। তখন তিনি তার নিকট আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর কথা বর্ণনা করলেন এবং বললেন, আমলহীন কোন লোক কিভাবে দুর্ভাগ্যবান হতে পারে? অতঃপর তিনি [হুযাইফাহ্ (রাযিঃ)] তাকে বললেন, তুমি কি এতে আশ্চর্য হচ্ছ? আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, যখন (মাতৃগর্ভে) শুক্ৰকীটের উপর বিয়াল্লিশ দিন চলে যায় তখন আল্লাহ তা’আলা একজন ফেরেশতা প্রেরণ করেন। তিনি ওটাকে (শুক্রকে) একটি রূপ দান করে, তার কান, চোখ, চামড়া, গোশত ও হাড় সৃষ্টি করে দেয়। তারপর ফেরেশতা বলে, হে আমার রব! সেটা কি পুরুষ, না মহিলা হবে? তখন তোমার প্রভু যা চান সিদ্ধান্ত দেন এবং ফেরেশতা আদেশ অনুসারে তা লিখে ফেলেন। তারপর সে বলতে থাকে, হে আমার রব! তার মৃত্যুক্ষণ কত হবে? তখন তোমার রব যা চান তাই বলেন এবং সে অনুযায়ী ফেরেশতা লিখেন। তারপর সে বলতে থাকে, হে আমার রব। তার জীবিকা কি হবে? তখন তোমার রব তার মর্জি অনুযায়ী ফায়সালা করেন এবং ফেরেশতা তা লিপিবদ্ধ করেন। এরপর ফেরেশতা তার হাতে একটি লিপিবদ্ধ কিতাব নিয়ে বের হন। সে এটাকে বৃদ্ধিও করে না এবং ঘাটতিও করে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
(6726, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6727
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
(…) আহমাদ ইবনু উসমান আবূ নাওফালী (রহঃ) ..... আবূ তুফায়ল (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে শুনেছেন। তিনি আমর ইবনুল আল হারিস (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
(6727, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6728
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবু খালাফ (রহঃ) .... আবু তুফায়ল বলেন, আমি আবূ সারীহাহ হুযাইফাহ ইবনু আসীদ আল গিফারী (রাযিঃ) এর নিকট গেলে তিনি বলেন, আমি আমার এ কান দিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, বীর্য জরায়ুতে চল্লিশ রাত স্থির থাকে। তারপর একজন ফেরেশতা তাকে আকৃতি প্রদান করেন। রাবী যুহায়র (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা তিনি বলেছেন, "যাকে তিনি তৈরি করেন" তখন তিনি বলতে থাকেন, হে আমার প্রভু! সে-কি পুরুষ না মহিলা? তারপর আল্লাহ তাকে পুরুষ কিংবা মহিলা সৃষ্টি করেন। অতঃপর তিনি (ফেরেশতা) বলতে থাকেন, হে আমার রব। আপনি তাকে পূর্ণ সৃষ্টি করবেন না অপূর্ণ? তখন আল্লাহ তাকে পূর্ণ অথবা অপূর্ণ সৃষ্টি করেন। তারপর তিনি বলেন, হে আমার প্রভু! তার জীবনোপকরণ, মৃত্যুক্ষণ, চরিত্র কি হবে? তারপর আল্লাহ তা’আলা তাকে হতভাগ্যবান কিংবা সৌভাগ্যবান বানিয়ে দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
(6728, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6729
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আবদুল ওয়ারিস ইবনু আবদুস সামাদ (রহঃ) ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহাবা হুযাইফাহ্ ইবনু আসীদ আল গিফারী (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত মারফু সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যখন আল্লাহ তার আদেশ অনুসারে কোন কিছু সৃষ্টির আকাঙ্ক্ষা করেন তখন জরায়ুতে একজন ফেরেশতা প্রেরণ করে দেন চল্লিশের কিছু বেশি দিন পরে। তারপর তিনি তাদের হাদীসের হুবহু হাদীস উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
(6729, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6730
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আবূ কামিল, ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন আল জাহদারী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে মারফু সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা জরায়ুতে একজন ফেরেশতা প্রেরণ করে দেন। তখন ফেরেশতা বলতে থাকেন, হে আমার প্রভু! এখন তা শুক্র। হে আমার রব! এখন তা জমাট রক্ত। হে আমার প্রতিপালক এখন গোশতের খণ্ড। তারপর যখন আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টি করার সিদ্ধান্ত করেন তখন ফেরেশতা বলেন, হে আমার প্রতিপালক সে-কি পুরুষ না মহিলা, দুর্ভাগ্যবান, না সৌভাগ্যবান হবে? তার রিযক কি হবে? তার আয়ুষ্কাল কি হবে? তারপর এমনিভাবে মায়ের গর্ভে থাকাবস্থায় সবকিছু লিখে দেয়া হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
(6730, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6731
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
উসমান ইবনু আবু শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) .... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বাকী গারকাদে* একটি জানাযা সালাতে উপস্থিত ছিলাম। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট এসে বসলেন এবং আমরাও তার পাশাপাশি বসলাম। তার সাথে ছিল একটি ছড়ি। তিনি মাথা নিচু করেছিলেন। সে সময় তিনি তার ছড়ি দ্বারা জমিনে টোকা দিচ্ছিলেন। তারপর তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক নেই, যার পরিণাম আল্লাহ তা’আলা জান্নাতে বা জাহান্নামে নির্ধারণ করেননি এবং সে দুর্ভাগ্যবান হবে বা সৌভাগ্যবান হবে, তা লিপিবদ্ধ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন জনৈক লোক আবেদন করল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমরা কি আমাদের ভাগ্যলিপির উপর অটুট থেকে ‘আমল ত্যাগ করব না? তখন তিনি বললেন, যে লোক সৌভাগ্যবান সে সৌভাগ্যবানদের ‘আমলের দিকে ধাবিত হবে। যে হতভাগাদের অন্তর্ভুক্ত সে হতভাগার আমলের প্রতি ধাবিত হবে। তারপর তিনি বললেন, তোমরা আমল করো। প্রত্যেকের পথ সহজ করে দেয়া হয়েছে। অবশ্যই সৌভাগ্যবান লোকদেরকে সৌভাগ্যের আমল করা সহজ করে দেয়া হচ্ছে। হতভাগ্যদেরকে হতভাগ্যের ‘আমল সহজ করে দেয়া হচ্ছে। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন, "সুতরাং যে দান করল, তাকওয়া অর্জন করল এবং যা উত্তম তা সত্যায়ন করল, আমি তাদের জন্যে সফল তার পথ সুগম করে দিব এবং যারা বখিলী করল এবং নিজকে স্বয়ংসম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষী মনে করল আর যা উত্তম তা মিথ্যা সাব্যস্ত করল, আমি তার জন্যে কঠোর বিফল পথ সহজ করে দিব"- (সূরা আল লায়ল ৯২ঃ ৫-১০)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯০, ইসলামিক সেন্টার)
(6731, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6732
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
(…/...) আবু বকর ইবনু আবু শইবাহ ও হান্নাদ ইবনু আস্ সারী (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি (মানসূর) বলেন, তাছাড়া তিনি বলেছেন, "একটি লাকড়ি ধারণ করলেন এবং ছড়ি" শব্দটি তিনি বলেননি। ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) আবুল আহওয়াস (রহঃ) এর সানাদে তার হাদীসে বলেছেন, তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়লেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯১, ইসলামিক সেন্টার)
(6732, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6733
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব, আবূ সাঈদ আল আশাজ্জ, ইবনু নুমায়র ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক টুকরা লাকড়ি হাতে নিয়ে বসে ছিলেন। তিনি তা দ্বারা জমিনে টোকা দিচ্ছিলেন। তারপর তিনি নিজের মাথা উঠালেন এবং বললেন, তোমাদের মাঝে এমন কেউ নেই যে তার ঠিকানা জান্নাতে বা জাহান্নামে নির্ধারিত নেই। তারা সকলে বললেন, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! তাহলে আমরা কেন কাজ-কর্ম করব? আমরা কি ভরসা করব না? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না, বরং তোমরা আমল করতে থাকো। যাকে যে জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা তার জন্য সহজ করা হয়েছে। তারপর তিনি পাঠ করলেন, "সুতরাং যারা দান-সদাকাহ করল, তাকওয়া অর্জন করল এবং যা ভাল তা সত্যায়ন করল, ..... ..... আমি কঠোর পরিণামের পথ সহজ করে দিব, এ পর্যন্ত"- (সূরা আল লায়ল ৯২ঃ ৫-১০)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯২, ইসলামিক সেন্টার)
(6733, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6734
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
(6734, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6735
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আহমাদ ইবনু ইউনুস ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুরাকাহ্ ইবনু মালিক ইবনু জুশুম (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলেন, অতঃপর বললেন, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাদের সামনে আমাদের দীন সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করুন, যেন আমরা এই মাত্র সৃষ্ট হয়েছি। আজকের ‘আমল কি ঐ বিষয়ের উপর যার সম্পর্কে কলম লিখে শুকিয়ে গেছে এবং তাকদীর তার উপর চলছে? নাকি আমরা ভবিষ্যতে তার সামনাসামনি হব? তিনি বললেন, না; বরং কলম যা কিছু লিখার লিখে শুকিয়ে গেছে ও সে অনুযায়ী তাকদীর জারী হয়ে গেছে। সুরাকাহ বললেন, তাহলে কিসের জন্য ‘আমল করার প্রয়োজন? যুহায়র বলেন, অতঃপর আবূ যুবায়র কিছু কথা বললেন, যা আমি বুঝতে পারিনি। অতঃপর আমি (লোকেদের) প্রশ্ন করলাম, তিনি কি বললেন। জবাবে বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমরা আমল করতে থাকো; প্রত্যেকের জন্য সে পথ সহজ করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
(6735, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6736
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আবু তাহির (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ মর্মে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক আমলকারীকে তার “আমলের পথ সহজ করে দেয়া হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯৫, ইসলামিক সেন্টার, নেই)
(6736, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6737
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল! জাহান্নামীদের হতে জান্নাতীদের সুনির্দিষ্ট হয়েছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ প্রতীয়মান হয়েছে। তিনি (রাবী) বলেন, বলা হলো, তাহলে আমলকারী কিসের জন্য ‘আমল করবে? তিনি বললেন, প্রত্যেক লোকের জন্যে সে কর্মটি সহজ করে দেয়া হবে, যার জন্যে তাকে বানানো হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
(6737, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6738
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
(…/...) শাইবান ইবনু ফাররূখ, আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, ইবনু নুমায়র, ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) সব সানাদেই ইয়াযীদ আর রিশক (রহঃ) হতে এ সূত্রে হাম্মদ এর হাদীসের অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর এছাড়া আবদুল ওয়ারিস বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, সে বলেছে, আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
(6738, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6739
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী (রহঃ) ..... আবুল আসওয়াদ আদ দিয়ালী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন (রহঃ) আমাকে বললেন, আজকাল মানুষেরা যা আমল করে এবং তাতে যা কষ্ট করে, সে ব্যাপারে আপনার মতামত কি? তা-কি এমন বিষয় যা তাদের উপর সিদ্ধান্ত গৃহীত ও অতীতে সাব্যস্ত হয়ে গেছে যা তাদের উপর পূর্ব নির্ধারিত? নাকি ভবিষ্যতে করা হবে যা তাদের নিকট তাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়ে আসছেন এবং যাদের উপর দলীল-প্রমাণ সাব্যস্ত হয়েছে? আমি বললাম, বরং বিষয়টি তো তাদের উপর সিদ্ধান্ত গৃহীত ও অতীত সাব্যস্ত হয়ে গেছে। তিনি (রাবী) বলেন, অতঃপর তিনি বললেন, তা কি যুলম হবে না? তিনি বললেন, এতে আমি অত্যন্ত ঘাবড়ে গেলাম এবং বললাম, প্রতিটি বিষয় আল্লাহর মাখলুক এবং তার আওতাধীন। সুতরাং তিনি যা করেন, সে বিষয়ে জবাবদিহিতা নেই অথবা তাদেরকে কৈফিয়ত দিতে হবে না। কিন্তু তারা যা করে সে বিষয়ে তাদের নিকট কৈফিয়ত তলব করা হবে। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া করুন। আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করে আপনার অনুভূতি অনুমান করতে চেয়েছিলাম। মুযাইনাহ্ গোত্রের দু' ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! লোকেরা আজকাল যেসব আমল করে এবং পরিশ্রম করে, সেগুলো কি তাদের উপর সিদ্ধান্ত গৃহীত ও অতীত সাব্যস্ত হয়ে গেছে, আগে নির্দিষ্টতা থেকে? নাকি ভবিষ্যতে যে আমল করা হবে, যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট নিয়ে আসছেন এবং তাদের উপর দলীল প্রমাণ সাব্যস্ত আছে? জবাবে তিনি বললেন, না; বরং বিষয়টি তাদের উপর সিদ্ধান্ত করা হয়েছে এবং অতীতে সাব্যস্ত হয়ে গিয়েছে? আল্লাহর কিতাবে তার সত্যায়নঃ "আর শপথ মানুষের এবং তার যিনি তাকে সম্পূর্ণ করেছেন, এরপর তার উপর তিনি পাপ-পুণ্যের জ্ঞান ঢেলে দিয়েছেন"- (সূরা আশ শামস ৯১ঃ ৭-৮)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
(6739, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6740
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন লোক দীর্ঘকাল জান্নাতীদের ন্যায় আমল করবে। এরপর জাহান্নামীদের আমলের সাথে তার আমল পরিসমাপ্ত হয়। আর এক লোক দীর্ঘকাল ধরে জাহান্নামীদের আমলের ন্যায় আমল করবে। তারপর জান্নাতীদের ‘আমলের সাথে তার ‘আমল পরিসমাপ্ত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
(6740, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6741
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা’দ আস্ সাইদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি জনসাধারণের সামনে প্রকাশিত “আমলের বিবেচনায় জান্নাতীদের ‘আমলের ন্যায় আমল করবে; অথচ সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত। আর কোন ব্যক্তি জনসাধারণের সামনে প্রকাশিত ‘আমলের বিবেচনায় জাহান্নামীদের ‘আমলের ন্যায় ‘আমল করবে, অথচ সে জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫০০, ইসলামিক সেন্টার)
(6741, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সহীহ মুসলিম : 6742
সহীহ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম, ইবরাহীম ইবনু দীনার, ইবনু আবু উমার আল মাক্কী ও আহমাদ ইবনু আব্দাহ আয যাব্বী (রহঃ) ..... তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আদম (আঃ) ও মূসা (আঃ) এর মাঝে বাক-বিতণ্ডা হয়। মূসা (আঃ) বললেন, হে আদম! আপনি আমাদের পিতা, আপনি আমাদেরকে মাহরুম করেছেন এবং জান্নাত হতে আমাদেরকে বের করে দিয়েছেন। এরপর আদম (আঃ) তাঁকে বললেন, আপনি তো মূসা (আঃ)। আল্লাহ তা’আলা তার সঙ্গে কথা বলতে আপনাকে চয়ন করেছেন এবং আপনাকে লিখিত কিতাব (তাওরাত) দিয়েছেন। আপনি কি এমন বিষয়ে আমাকে ভৎসনা করছেন যা আমার সৃষ্টির চল্লিশ বৎসর আগে আল্লাহ তা’আলা নির্ধারণ করে রেখেছেন? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ) এর উপর বাক-বিতণ্ডায় জয়ী হলেন। আর ইবনু আবু উমার ও ইবনু আবদাহ বর্ণিত হাদীসে তাদের একজন বলেছেন, লিখে দিয়েছেন; অপরজন বলেছেন, তিনি তার হস্তে আপনার জন্য তাওরাত লিখে দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫০১, ইসলামিক সেন্টার)
(6742, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)