হোম আল হাদিস জামে' আত-তিরমিযী

জামে' আত-তিরমিযী

Jami` at-Tirmidhi | মোট অধ্যায়: 49, মোট হাদিস: 3,998 টি
جامع الترمذي

সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 3,998 টি।

হাদিস নম্বর জাম্প:
রিসেট

হাদিস তালিকা

জামে' আত-তিরমিযী : 452
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। খারিজা ইবনু হুযাফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকটে বের হয়ে আসলেন। তিনি বললেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা একটি নামায দিয়ে তোমাদের সাহায্য করেছেন। এটা তোমাদের জন্য অনেক লাল উটের চেয়েও উত্তম তা হল বিতরের নামায। আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য এটা ইশা ও ফজরের মধ্যবর্তী সময়ে আদায়ের জন্য নির্ধারণ করেছেন —সহীহ। “এটা তোমাদের জন্য অনেক লাল উটের চেয়েও উত্তম” এই অংশ বাদে। ইবনু মাজাহ– (১১৬৮)। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, বুরাইদা ও আবু বাসরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ খারিজা ইবনু হুযাফার হাদীসটি গারীব। কেননা এটা আমরা শুধুমাত্র ইয়াযীদ ইবনু আবু হাবীবের সূত্রেই জেনেছি। কিছু মুহাদ্দিস এ হাদীস সম্পর্কে সন্দেহে পড়েছেন এবং আবদুল্লাহ ইবনু রাশিদ আয-যাওফীকে আয-যুরাকী বলে উল্লেখ করেছেন, তা ঠিক নয়। আবু বাসরাহ আল গিফারীর নাম হুমাইল ইবনু বাসরাহ। কোন কোন ব্যক্তি তার নাম জামীল বলেও উল্লেখ করেছেন। তা সঠিক নয়। আরেক আবু বাসরাহ গিফারী রয়েছেন যিনি আবু যার গিফারী থেকে হাদীস বর্ণনা করেও তিনি আবু যারের ভাইপো।
(452, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 453
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বিতরের নামায তোমাদের ফরয নামাযসমূহের মত অত্যাবশ্যকীয় (ফরয) নামায নয়। বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এ নামায) তোমাদের জন্য সুন্নাতরূপে প্রবর্তন করেছেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা বিতর (বেজোড়), তিনি বিতরকে ভালবাসেন। হে কুরআনের বাহকগণ (মুমিনগণ)! তোমরা বিতর আদায় কর। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৬৯)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, ইবনু মাসউদ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ‘আলী (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান।
(453, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 454
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সুফিয়ান সাওরী ও অন্যান্যরা আবু ইসহাক হতে, তিনি আসিম ইবনু যামরাহ হতে, তিনি ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি (আলী) বলেছেন, বিতরের নামায ফরয নামাযের মত জরুরী নামায নয়। বরং এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতিষ্ঠিত সুন্নাত নামায। —সহীহ। সহীহুত তারগীব- (৫৯০)। এ হাদীসটি পূর্ববতী আবু বাকার ইবনু আয়্যাশের হাদীসের চেয়ে বেশি সহীহ। মানসূর ইবনু মু'তামিরও এ হাদীসটি আবু ইসহাক হতে আবু বাকার ইবনু আয়্যাশের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(454, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 456
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মাসরুক (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিতর প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, তিনি রাতের সকল ভাগেই বিতর আদায় করেছেন, হয় রাতের প্রথম ভাগে অথবা মধ্যভাগে অথবা শেষ ভাগে। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি বিতর ভোর রাত পর্যন্ত পৌছিয়েছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৫৮), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুসাইনের নাম উসমান ইবনু আসিম আল-আসাদী এ অনুচ্ছেদে আলী, জাবির, আবু মাসউদ আনসারী ও আবু কাতাদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু "ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান সহীহ। একদল আলিম শেষ রাতেই বিতর আদায় করা পছন্দ করেছেন।
(456, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 459
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের নামাযের সংখ্যা ছিল তের রাকাআত। এর মধ্যে পাঁচ রাকাআত তিনি বিতর আদায় করতেন। এ পাঁচ রাক'আত আদায় শেষ করেই তিনি বসতেন। মুয়াযযিন আযান দিলে তিনি উঠে হালকা দুই রাকাআত নামায আদায় করতেন। সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২০৯, ১২১০), সালাতুত তারাবীহ, মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু আইউব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও অন্যরা বিতর নামায পাঁচ রাকাআত হওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এর কোন রাকাআতেই বসবে না, সর্বশেষ রাকাআতে বসবে। আবু ঈসা বলেনঃ “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নয় বা সাত রাকাআত বিতর পড়তেন” এই হাদীস সম্পর্কে আমি মুসআব আল-মাদীনীকে জিজ্ঞেস করলাম। আমি বললাম, তিনি কিভাবে নয় বা পড়ার পর সালাম ফিরাতেন এবং শেষে এক রাকাআত বিতর পড়তেন।
(459, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 460
Very Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন রাক’আত বিতরের নামায আদায় করতেন। তিনি এতে মুফাসসাল সূরাসমূহের নয়টি সুরা পাঠ করতেন, প্রতি রাকাআতে তিনটি করে সূরা পাঠ করতেন, এর মধ্যে সর্বশেষ সূরা ছিল “কুল হুয়াল্লাহু আহাদ”। অত্যন্ত দুর্বল, মিশকাত (১২৮১) এ অনুচ্ছেদে ইমরান ইবনু হুসাইন, আইশা, ইবনু আব্বাস, আবূ আইউব, আবদুর রহমান ইবনু আবযা উবাই ইবনু কা'ব প্রমুখ সাহাবী হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও অন্যরা তিন রাক‘আত বিতর আদায়ের পক্ষে মত দিয়েছেন। সুফিয়ান সাওরী বলেছেন, তুমি চাইলে বিতরের নামায পাঁচ, তিন বা এক রাক’আতও আদায় করতে পার। তিনি আরো বলেছেন, আমি তিন রাকাআত বিতর পড়া পছন্দ করি। ইবনুল মুবারাক ও কুফাবাসীগণের অভিমতও ইহাই। মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন বলেছেন, তারা (নিজেরা) পাঁচ রাকাআতও আদায় করতেন, তিন রাকাআতও আদায় করতেন এবং এক রাকাআতও আদায় করতেন। তারা এর প্রতিটিকেই উত্তম মনে করেছেন।
(460, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 461
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, আমি কি সকালের দুই রাকাআত (সুন্নাত) দীর্ঘ করতে পারি? তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের নামায দুই দুই রাকাআত করে আদায় করতেন এবং এক রাকাআত বিতর আদায় করতেন। অতঃপর দুই রাকাআত (সুন্নাত) আদায় করতেন এমনভাবে যে, তখনও তার কানে আযানের শব্দ আসত অর্থাৎ তিনি সংক্ষিপ্ত করতেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৪৪, ১৩১৮), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ্, জাবির, ফযল ইবনু আব্বাস, আবু আইয়ুব ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সাহাবী ও তাবিঈ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেন, দুই রাক’আত আদায় করে সালাম ফিরাবে, পরে এক রাকাআত বিতর আদায় করবে। ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ কথা বলেছেন।
(461, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 462
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের প্রথম রাকাআতে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আলা", দ্বিতীয় রাকাআতে “কুল ইয়া আয়ুহাল কাফিরূন” ও তৃতীয় রাকাআতে “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ" সূরা পাঠ করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৭২)। এ অনুচ্ছেদে আলী, ‘আয়িশাহ, আবদুর রহমান ইবনু আবযা এবং উবাই ইবনু কাব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। অপর এক বর্ণনায় আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের তৃতীয় রাকাআতে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করতেন। কিছু সাহাবা ও তাবিঈ ইবনু আব্বাসের হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন।
(462, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 463
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুল আযীয ইবনু জুরাইজ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের নামাযে কোন কোন সূরা পাঠ করতেন। তিনি বলেন, তিনি প্রথম রাকাআতে সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আলা', দ্বিতীয় রাকাআতে কুল ইয়া আয়ুহাল কাফিরূন এবং তৃতীয় রাকাআতে “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ, কুল আউযু বিরব্বিল ফালাক ও কুল আউযু বিরব্বিন-নাস" সূরা পাঠ করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১১৭৩)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গরীব। রাবী আব্দুল আয়ীজ তিনি ইবনু জুরাইজের পিতা 'আতা'র শাগরিদ। ইবনু জুরাইজের নাম আব্দুল মালিক ইবনু আব্দুল আযীজ ইবনু জুরাইজ। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদও আমরার সূত্রে, তিনি আয়িশাহ (রাঃ)-এর সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
(463, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 464
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবুল হাওরা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কয়েকটি বাক্য শিখিয়ে দিয়েছেন। এগুলো আমি বিতরের নামাযে পাঠ করে থাকিঃ "اَللَّهُمَّ اهْدِنِيْ فِيْمَنْ هَدَيْتَ، وَعَافِنِيْ فِيْمَنْ عَافَيْتَ، وَتَوَلَّنِيْ فِيْمَنْ تَوَلَّيْتَ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا أَعْطَيْتَ، وَقِنِيْ شَرَّمَا قْضَيْتَ؛ إِنَّكَ تَقْضِىْ وَلاَ يُقْضَى عَلَيْكَ، وَإنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَّالَيْتَ، وَلاَ يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ، تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ". “হে আল্লাহ! যাদেরকে তুমি হিদায়াত করেছো আমাকেও তাদের সাথে হিদায়াত কর, যাদের প্রতি উদারতা দেখিয়েছ তুমি তাদের সাথে আমার প্রতিও উদারতা দেখাও। তুমি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছ তাদের সাথে আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ কর। তুমি আমাকে যা দান করেছ তার মধ্যে বারকাত দাও। তোমার নির্ধারিত খারাবি হতে আমাকে রক্ষা কর। কেননা তুমিই নির্দেশ দিতে পার, তোমার উপর কারো নির্দেশ চলে না। যাকে তুমি বন্ধু ভেবেছ সে কখনও অপমানিত হয় না। তুমি কল্যাণময়, তুমি সুউচ্চ”। সহীহ। ইরওয়া— (৪২৯), মিশকাত— (১২৭৩), তা’লীক আলা-ইবনু খুজাইমাহ– (১০৯৫), সহীহ আবু দাউদ- (১৪২৫)। এ অনুচ্ছেদে আলী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এটি হাসান হাদীস। আবুল হাওরার সূত্র ব্যতীত অপর কোন সূত্রে আমরা এ হাদীসটি জানতে পারিনি। আবুল হাওরার নাম বার'আহ ইবনু শাইবান। বিতরে দু'আ কুনুতের ব্যাপারে উল্লেখিত হাদীসের চেয়ে বেশি ভাল হাদীস আমাদের জানা নেই। বিতরের কুনুতের ব্যাপারে আলিমদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেছেন, সারা বছর (প্রতি রাতে) বিতরের নামাযে কুনুত পাঠ করতে হবে। তিনি রুকূ করার পূর্বে কুনূত পাঠ করা পছন্দ করেছেন। কিছু বিশেষজ্ঞের এটাই মত। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, ইসহাক এবং কুফাবাসীগণও একইরকম মত দিয়েছেন। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি কেবল রামাযান মাসের দ্বিতীয়ার্ধেই রুকূ করার পর কুনূত পাঠ করতেন, অন্য সময়ে কুনুত পাঠ করতেন না। কিছু বিশেষজ্ঞ এ মত দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈ এবং আহমাদও এ কথাই বলেছেন।
(464, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 465
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বিতরের নামায না আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ল অথবা তা আদায় করতে ভুলে গেল সে যেন মনে হওয়ার সাথে সাথে অথবা ঘুম হতে উঠার সাথে সাথে তা আদায় করে নেয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৮৮)।
(465, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 466
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। যাইদ ইবনু আসলাম (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি বিতরের নামায না আদায় করে ঘুমিয়ে গেল সে যেন সকাল বেলা তা আদায় করে নেয়। —সহীহ। ইরওয়া— (৪২২)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি পূর্ববর্তী হাদীসের তুলনায় বেশি সহীহ। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু যাইদকে ‘আলী ইবনু আবদুল্লাহ দুর্বল বলেছেন। বুখারী (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু যাইদকে সিকাহ রাবী বলেছেন। একদল কুফাবাসী এ হাদীসের পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন, যখন বিতরের কথা মনে হবে তখনই তা আদায় করে নিবে, এমনকি সূর্য উঠার পরে মনে হলেও। সুফিয়ান সাওরী এই মত পোষণ করেছেন।
(466, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 467
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ভোর হওয়ার পূর্বেই বিতর আদায় করে নিবে। সহীহ। ইরওয়া— (২/১৫৪), সহীহ আবু দাউদ- (১২৯০)। আবু ঈসা বলেন হাদীসটি হাসান সহীহ।
(467, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 468
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ভোর হওয়ার পূর্বেই বিতর আদায় করে নাও। সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১১৮৯), মুসলিম।
(468, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 469
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন ভোর হয় তখন রাতের সব নামায এবং বিতরের সময় চলে যায়। অতএব তোমরা সকাল হওয়ার পূর্বেই বিতর আদায় করে নাও। —সহীহ। ইরওয়া- (২/১৫৪), সহীহ আবু দাউদ- (১২৯০)। আবু ঈসা বলেনঃ সুলাইমান ইবনু মূসাই কেবল উপরোক্ত শব্দে হাদীসটি রিওয়াত করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আরো বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেনঃ “সকালের নামাযের পর কোন বিতর নেই।” অনেক বিদ্বানগণের এটাই অভিমত। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাক বলেছেন, ফজরের নামাযের পর বিতরের ওয়াক্ত থাকে না।
(469, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 470
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। তলক ইবনু ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ এক রাতে দুইবার বিতর নেই। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২৯৩)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। যে ব্যক্তি রাতের প্রথম অংশে বিতর আদায় করেছে সে আবার শেষ রাতে নামায আদায় করতে উঠলে তাকে আবার বিতর আদায় করতে হবে কিনা এ ব্যাপারে মনীষীদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। একদল সাহাবী ও তাবিঈর মত হল, সে তার বিতর নষ্ট করে দিবে। তারা বলেন, সে আরো এক রাকাআত করবে। সব নামাযের শেষে বিতর আদায় করবে। এ পদ্ধতি মানার কারণ হল, রাতে একবারের বেশি বিতর নেই। ইমাম ইসহাক এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। অপর একদল সাহাবা ও তাবিঈর মত হল, যে ব্যক্তি প্রথম রাতে বিতর আদায় করেছে সে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ আদায় করতে উঠলে যত রাকাআত ইচ্ছা আদায় করে নিবে। বিতর নষ্ট করার বা আবার আদায় করার প্রয়োজন নেই। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, মালিক, শাফিঈ, কুফাবাসী এবং আহমাদ এ মত দিয়েছেন এবং এই মতই বেশি সহীহ। কেননা একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর আদায় করার পর নফল আদায় করেছেন।
(470, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 471
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের নামাযের পর দুই রাক'আত নামায আদায় করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৯৫)। আবু উমামা, আয়িশাহ (রাঃ) ও অন্যান্যরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে এরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(471, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 472
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সাঈদ ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি কোন এক সফরে ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথী ছিলাম। আমি (বিতর আদায়ের উদ্দেশ্যে) তার পিছনে থেকে গেলাম। তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি কোথায় ছিলে? আমি বললাম, বিতর আদায় করছিলাম। তিনি বললেন, তোমার জন্য কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে অনুসরণীয় আদর্শ নেই? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাওয়ারীর উপর বিতরের নামায আদায় করতে দেখেছি। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও অন্যান্যরা এ হাদীসের ভিত্তিতে বলেছেন, কোন লোকের জন্য তার বাহনের পিঠে বিতরের নামায আদায় করা জায়িয। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। অপর একদল বিশেষজ্ঞ বলেছেন, কোন ব্যক্তি তার সাওয়ারীর উপর বিতর আদায় করবে না। যখন সে বিতর আদায় করার ইচ্ছা করবে তখন নীচে নেমে এসে মাটির বুকে বিতর আদায় করবে। কুফাবাসীদের একদল এ মত দিয়েছেন।
(472, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 473
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পূর্বাহ্নের বার রাকাআত নামায আদায় করে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে একটি সোনার প্রাসাদ তৈরী করেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৩৮০) এ অনুচ্ছেদে উম্মু হানী, আবূ হুরাইরা, নুআইম ইবনু হাম্মার, আবূ যার, আইশা, আবূ উমামা, উতবা ইবনু আবদ সুলামী, ইবনু আবী আওফা, আবূ সাঈদ, যাইদ ইবনু আরকাম ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি গারীব। শুধুমাত্র উল্লেখিত সূত্রেই এ হাদীসটি আমরা জানতে পেরেছি।
(473, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 474
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুর রহমান ইবনু আবু লাইলা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে এমন কোন লোকই জানায়নি যে, সে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পূর্বাহ্নের নামায আদায় করতে দেখেছে। কিন্তু উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন তার ঘরে গেলেন, অতঃপর গোসল করে আট রাকাআত নামায আদায় করলেন। আমি তাকে এতো সংক্ষিপ্তভাবে আর কখনও নামায আদায় করতে দেখিনি। হ্যাঁ তিনি রুকূ-সিজদা ঠিকমত আদায় করছিলেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৭৯)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমাম আহমাদের মতে, এ অনুচ্ছেদে উম্মু হানী (রাঃ)-এর হাদীসটি সবচাইতে সহীহ। নু'আইম (রাঃ)-এর পিতার নাম নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতের অমিল আছে। মতান্তরে তার নাম খাম্মার, আম্মার, হাববার, হাম্মাম ও হাম্মার। সঠিক নাম হাম্মার। ঐতিহাসিক আবু নু'আইম ভুলবশত হিমায বলে সন্দীহান হয়েছেন এবং পরে পিতার নাম উল্লেখ বাদ দিয়েছেন। আবু ঈসা বলেনঃ এ ব্যাপারে আবদ ইবনু হুমাইদ আবু নু'আইম হতে আমাকে অবহিত করেছেন
(474, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)