হোম আল হাদিস জামে' আত-তিরমিযী

জামে' আত-তিরমিযী

Jami` at-Tirmidhi | মোট অধ্যায়: 49, মোট হাদিস: 3,998 টি
جامع الترمذي

সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 3,998 টি।

হাদিস নম্বর জাম্প:
রিসেট

হাদিস তালিকা

জামে' আত-তিরমিযী : 530
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ঈদের মাঠে পায়ে হেটে যাওয়া এবং যাওয়ার আগে কিছু খাওয়া সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত। -হাসান। ইবনু মাজাহ– (১২৯৪-১২৯৭)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। বেশিরভাগ বিদ্বান এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। কোন অজুহাত না থাকলে যানবাহনে চড়ে না গিয়ে বরং ঈদের মাঠে হেঁটে যাওয়াকে তারা মুস্তাহাব বলেছেন। ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে কিছু খাওয়া মুস্তাহাব।
(530, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 531
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকর ও উমর (রাঃ) খুতবা দেওয়ার পূর্বে দুই ঈদের নামায আদায় করতেন, তারপর খুতবা দিতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৭৬), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবির ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ও অন্যরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, খুতবা দেওয়ার আগে নামায আদায় করতে হবে। কথিত আছে মারওয়ান ইবনুল হাকামই সর্বপ্রথম নামাযের আগে খুতবা দিয়েছিলেন- মুসলিম।
(531, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 532
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে দুই ঈদের নামায আযান এবং ইকামাত ব্যতীত একবার দু’বার নয় একাধিকবার আদায় করেছি (আহমাদ, মুসলিম, আবু দাউদ)। -হাসান সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১০৪২), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবির ইবনু সামূরার হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবীগণ ও অন্যরা এ হাদীস অনুযায়ী দুই ঈদের নামায ও নফল নামাযের জন্য আযান দিতেন না।
(532, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 533
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। নুমান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই ঈদের নামাযে এবং জুমুআর নামাযে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ'লা" এবং “হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়াহ" সূরা দুটি পাঠ করতেন। কখনো কখনো ঈদ এবং জুমুআর নামায একই দিনে হয়ে যেত। তিনি তখনও এ দুই নামাযে উল্লেখিত সূরা দুটিই পাঠ করতেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১১৯), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু ওয়াকিদ, সামুরা ইবনু জুনদুব ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ নুমান ইবনু বাশীরের হাদীসটি হাসান সহীহ। আরো কয়েকটি সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের মতই বর্ণনা এসেছে। অপর একটি সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই ঈদের নামাযের সূরা ‘কাফ’ ও সূরা ‘ইকতারাবাতিস সাআহা’ পাঠ করতেন। ঈমাম শাফিঈ এই মতের সমর্থক।
(533, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 534
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আবু ওয়াকিদ লাইসী (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাযে কোন কোন সূরা পাঠ করতেন? তিনি বললেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাফ ওয়াল কুরআনিল মাজীদ ও ইকতারাবাতিস সা’আতু ওয়ান শাক্কাল কামার সূরা দুটি পাঠ করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৮২), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
(534, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 535
Isnaad Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উল্লেখিত হাদীসটি অপর একটি সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।
(535, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 536
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। কাসীর ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় ঈদের নামাযে প্রথম রাকাআতে কিরা'আত পাঠ করার আগে সাত তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকাআতে কিরা'আত পাঠ করার আগে পাঁচ তাকবীর বলেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৭৯)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, ইবনু উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত হাদীসটিই বেশি উত্তম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবা ও অন্যরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও একই রকম বর্ণিত আছে। তিনি মাদীনাতে এভাবেই নামায আদায় করেছেন। মাদীনাবাসীদের এটাই মত। ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মত গ্রহণ করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) ঈদের নামাযের তাকবীর প্রসঙ্গে বলেছেনঃ ঈদের নামাযে মোট নয়টি তাকবীর রয়েছে (মুসনাদে আবদুর রাযযাক)। প্রথম রাকাআতে কিরাআতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর। দ্বিতীয় রাকাআতে কিরাআতের পর রুকূর তাকবীরসহ মোট চার তাকবীর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একাধিক সাহাবী হতেও এরকমই বর্ণিত হয়েছে। কুফাবাসীদের এটাই মত। সুফিয়ান সাওরীও এরূপ মত দিয়েছেন।
(536, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 537
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন নামায আদায় করতে বের হলেন। তিনি দুই রাকাআত নামায আদায় করালেন এবং তার পূর্বেও তিনি কোন (নফল) নামায আদায় করেননি এবং পরেও আদায় করেননি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৯১), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আব্দুল্লাহ ইবনু উমার আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবু সাঈদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও তাবিঈ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাক এই মতের পক্ষে (ঈদের নামাযের আগে-পরে কোন নফল নামায নেই)। অপর একদল বিদ্বানের মতে, ঈদের নামাযের আগে বা পরে নফল নামায আদায় করা যায়। এ দুটি মতের মধ্যে প্রথমোক্ত মতই বেশি সহীহ।
(537, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 538
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমার (রাঃ) হতেও বর্ণিত আছে, তিনি এক ঈদের দিন নামায আদায় করতে বের হলেন। তিনি এর পূর্বেও কোন (নফল) নামায আদায় করেননি এবং পরেও আদায় করেননি। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটিই করেছেন। —হাসান সহীহ। ইরওয়া— (৩/৯৯)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
(538, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 539
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উম্মু আতিয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন কুমারী, তরুণী, প্রাপ্তবয়স্কা, পর্দানশিন এবং ঋতুবতী সব মহিলাদের (নামাযের জন্য) বের হওয়ার (ঈদের মাঠে যাওয়ার) হুকুম করতেন। ঋতুবতী মহিলারা নামাযের জামা'আত হতে এক পাশে সরে থাকতো কিন্তু তারা মুসলিমদের দু'আয় শারীক হত। এক মহিলা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি কোন নারীর নিকট (শরীর ঢাকার মত) চাদর না থাকে? তিনি বললেনঃ তার (মুসলিম) বোন তার অতিরিক্ত চাদর তাকে ধার দিবে। - সহীহ; ইবনু মাজাহ - (১৩০৭, ১৩০৮), বুখারী ও মুসলিম।
(539, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 540
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। অপর একটি সূত্রেও একই রকম হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ উম্মু আতিয়্যার হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস ও জাবির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। একদল বিদ্বান এ হাদীসের অনুকূলে মত দিয়েছেন। তারা মহিলাদের ঈদের মাঠে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। অপর একদল বিদ্বান মহিলাদের ঈদের মাঠে যাওয়া মাকরূহ বলেছেন। বর্ণিত আছে যে, ইবনুল মুবারাক বলেছেন, আজকাল মহিলাদের ঈদের মাঠে যাওয়াকে আমি মাকরূহ মনে করি। যদি কোন মহিলা ঈদের মাঠে যাওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করে, তবে তার স্বামী তাকে পুরানো কাপড় পরে যাওয়ার অনুমতি দিবে, কিন্তু সাজগোজ করে বের হতে দিবে না। যদি স্ত্রী এতে রাজী না হয় তবে স্বামী তাকে মাঠে যাবার অনুমতি দিবে না। আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, আজকালকার মহিলারা যেরূপ বিদ'আতি সাজসজ্জা আবিষ্কার করে নিয়েছে, যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগুলো দেখতেন তবে তাদেরকে তিনি মসজিদে আসতে নিষেধ করতেন, যেভাবে বানী ঈসরাঈলের মহিলাদের নিষেধ করা হয়েছিল। সুফিয়ান সাওরীও মহিলাদের ঈদের মাঠে যাওয়া মাকরুহ বলেছেন।
(540, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 541
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন এক পথ দিয়ে যেতেন এবং অন্য পথ দিয়ে ফিরে আসতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩০১)। অপর এক সনদসূত্রে এ হাদীসটি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে (বুখারী)। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু উমার ও আবু রাফি' (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। কিছু বিদ্বান এ হাদীসের উপর আমল করার জন্য ইমামের এক পথ দিয়ে ঈদের মাঠে যাওয়া এবং অন্য পথ দিয়ে আসাকে মুস্তাহাব বলেছেন। ইমাম শাফিঈ এই মত দিয়েছেন। জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি বেশি সহীহ।
(541, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 542
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (বুরাইদা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন কিছু না খাওয়া পর্যন্ত নামাযে বের হতেন না এবং ঈদুল আযহার দিন নামায না আদায় করা পর্যন্ত কিছু খেতেন না। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৭৫৬)। এ অনুচ্ছেদে আলী ও আনাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ বুরাইদার হাদীসটি গারীব। ইমাম বুখারী বলেছেন, এ হাদীসটি ছাড়া সাওয়াব ইবনু উতবার সূত্রে বর্ণিত আর কোন হাদীস আমার জানা নেই। একদল মনীষী ঈদুল ফিতরের দিন কিছু খেয়ে ঘর হতে নামাযের জন্য বের হওয়া মুস্তাহাব বলেছেন। তারা খেজুর খাওয়া পছন্দ করেছেন। তাদের মতে ঈদুল আযহার দিন নামায হতে আসার পর পানাহার করা মুস্তাহাব।
(542, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 543
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন নামায আদায় করতে বের হওয়ার আগে খেজুর দিয়ে নাস্তা করতেন -সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১৭৫৪)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
(543, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)