হোম আল হাদিস জামে' আত-তিরমিযী

জামে' আত-তিরমিযী

Jami` at-Tirmidhi | মোট অধ্যায়: 49, মোট হাদিস: 3,998 টি
جامع الترمذي

সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 3,998 টি।

হাদিস নম্বর জাম্প:
রিসেট

হাদিস তালিকা

জামে' আত-তিরমিযী : 1524
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গুনাহের কাজ সম্পাদনের উদ্দেশ্যে মানত করা বৈধ হবে না। শপথ ভঙ্গের কাফফারার অনুরূপ এর কাফফারা। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২১২৫) ইবনু উমার, জাবির ও ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীস সহীহ নয়। কেননা আবূ সালামার নিকট হতে এ হাদীস ইমাম যুহরী শুনেননি। আমি ইমাম বুখারীকে এভাবে বলতে শুনেছিঃ মূসা ইবনু উকবা, আবূ আতীক ইবনু আবূ কাসীর হতে, তিনি আবূ সালামা হতে, তিনি আইশা (রাঃ) হতে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ (বুখারী) বলেন, এটাই সেই হাদীস।
(1524, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1525
Sahih Lighairihi
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা'আলার আনুগত্যের উদ্দেশ্যে কোন লোক মানত করলে সে যেন তা পূর্ণ করে। আর কোন লোক আল্লাহ্ তা'আলার অবাধ্যাচরণের উদ্দেশ্যে মানত করলে সে যেন তা পূর্ণ না করে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২১২৬), বুখারী হাসান ইবনু আলী আল খাল্লাল-আব্দুল্লাহ ইবনু নুমাইর হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার হতে, তিনি তালহা ইবনু আব্দুল মালিক হতে তিনি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ হতে, তিনি আইশা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে (উপরের হাদীসের) অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদের সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীরও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এই মত দিয়েছেন একদল সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণ। ইমাম মালিক এবং শাফিঈরও এই মত। তারা বলেন, আল্লাহ্ তা'আলার নাফরমানী করা চলবে না, নাফরমানীর জন্য মানত করলেও তা পূর্ণ করা জায়িয নয় এবং তার জন্য কাফফারাও দিতে হবে না।
(1525, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1527
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সাবিত ইবনু যাহহাক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে জিনিসে বান্দার মালিকানা নেই তার মানত হয় না। সহীহ, ইরওয়া (২৫৭৫), নাসা-ঈ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন।
(1527, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1528
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উকবা ইবনু আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নাম উল্লেখ না করে মানত করা হলে তার কাফফার শপথ ভঙ্গের কাফফারার মতই। যঈফ, হাদীসে বর্ণিত "নাম উল্লেখ না করে" অংশ বাদে হাদীসটি সহীহ, ইরওয়া (২৫৮৬) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গরীব।
(1528, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1529
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুর রাহমান ইবনু সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আবদুর রাহমান শাসকের পদ চেয়ে নিও না। কেননা এ পদ চাওয়ার কারণে তোমার আয়ত্বে এলে তোমাকে এর যিন্মায় (সহায়হীনভাবে) ছেড়ে দেয়া হবে। এ পদটি যদি না চাইতেই তোমার আয়ত্বে আসে তবে তুমি (দায়িত্বভার বহনে) সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। তুমি কোন কাজের মানত করার পরে তার বিপরীত করার মধ্যে কল্যাণ দেখতে পেলে কল্যাণকর কাজটিই করবে এবং শপথ ভঙ্গের কাফফারা প্রদান করবে। সহীহ, ইরওয়া (৭/১৬৬), (৮/২২৮, ২৬০১) সহীহ আবূ দাউদ (২৬০১), নাসা-ঈ আলী, জাবির, আদী ইবনু হাতিম, আবূদ দারদা, আনাস, আইশা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবূ হুরাইরা, উম্মু সালামা ও আবূ মূসা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আব্দুর রহমান ইবনু সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
(1529, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1530
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন বিষয়ে কেউ শপথ করার পর তার বিপক্ষে কাজ করার মধ্যে মঙ্গল দেখতে পেলে সে যেন তার শপথ ভঙ্গের কাফফারা প্রদান করে এবং কল্যাণকর কাজটি সম্পাদন করে। সহীহ, ইরওয়া (২০৮৪), রাওযুন নায়ীর (১০২৯), মুসলিম উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস মোতাবিক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশির ভাগ অভিজ্ঞ সাহাবী ও তৎপরবর্তী আলিমগণ আমল করেছেন। তারা বলেছেন, শপথ ভঙ্গের আগে কাফফারা আদায় করা যায়। এই মত দিয়েছেন ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকও। অপর কয়েকজন অভিজ্ঞ আলিম বলেছেন, শপথ ভঙ্গের আগে কাফফারা আদায় করবে না। সুফিয়ান সাওরী বলেছেন, আমি শপথ ভঙ্গের পর কাফফারা প্রদানকে উত্তম মনে করি। তবে কোন লোক শপথ ভঙ্গের আগেই অগ্রিম কাফফারা প্রদান করলে তাও যথেষ্ট হবে।
(1530, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1531
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গানীমাতের মধ্যে দুই অংশ ঘোড়ার জন্য এবং এক অংশ সৈনিকের জন্য নির্ধারণ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৮৫৪), নাসা-ঈ মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার আব্দুর রাহমান ইবনু মাহদী হতে, তিনি সুলাইম ইবনু আখ্যার হতে এই সূত্রেও অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। মুজাম্মি ইবনু জারিয়া, ইবনু আব্বাস ও ইবনু আবূ আমরাহ হতে তার বাবার সূত্রে এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীস মোতাবিক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশির ভাগ অভিজ্ঞ সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণ আমল করেছেন। একই মত দিয়েছেন সুফিয়ান সাওরী, আওযাঈ, মালিক ইবনু আনাস, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকও। তারা বলেন, গানীমাতের মধ্যে অশ্বারোহী যোদ্ধা তিন অংশ পাবে। তার নিজের জন্য এক অংশ এবং তার ঘোড়ার জন্য দুই অংশ। আর পদাতিক যোদ্ধা এক অংশ পাবে।
(1531, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1532
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ শপথ করে ইনশা-আল্লাহ বললে তার শপথ ভঙ্গের কারণে কোন অপরাধ হবে না। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২১০৪) আমি (আবূ ঈসা) এ হাদীস বিষয়ে ইমাম বুখারীকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এ হাদীসটি ভুল বর্ণনা করা হয়েছে। আবদুর রাযযাক এটাকে সংক্ষিপ্ত আকারে অন্য একটি হাদীস হতে বর্ণনা করেছেন। সেই হাদীসটি এইঃ আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সুলাইমান ইবনু দাউদ (আঃ) বললেনঃ আমি আজকের রাত্রিতে সত্তরজন স্ত্রীর শয্যাসঙ্গী হব। প্রত্যেক স্ত্রীই একটি করে ছেলে সন্তান প্রসব করবে। তিনি সকল স্ত্রীর শয্যাসঙ্গী হলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউই সন্তান প্রসব করল না। শুধুমাত্র একজন স্ত্রী একটি অর্ধাঙ্গ বাচ্চা প্রসব করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তিনি যদি ইনশাআল্লাহ বলতেন তাহলে তিনি যেরূপ বলেছিলেন সেরূপই হত। আবদুর রাযযাক লম্বা হাদীসটি উল্লেখিত সনদ সূত্রে বর্ণনা করেছেন। সুলাইমান (আঃ)-এর স্ত্রীর পরিমাণও তিনি সত্তরজন বলে উল্লেখ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ হাদীসটি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “সুলাইমান ইবনু দাউদ (আঃ) বললেন, আমি আজ রাতে একশতজন স্ত্রীর শয্যাসঙ্গী হব”।
(1532, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1533
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সালিম (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমার (রাঃ)-কে আমার পিতার শপথ, আমার পিতার শপথ’ বলতে শুনলেন। তিনি বললেনঃ সাবধান! অবশ্যই তোমাদেরকে তোমাদের বাবার নামে শপথ করতে আল্লাহ তা'আলা নিষেধ করেছেন। উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ আমি এরপর হতে আর কখনো এভাবে শপথ করিনি বা অন্যের বরাতেও তা উল্লেখ করিনি। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২০৯৪), নাসা-ঈ সাবিত ইবনু যাহহাক, ইবনু আব্বাস, আবূ হুরাইরা, কুতাইলা ও আবদুর রাহমান ইবনু সামুরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ উবাইদ বলেন, 'ওলা আছিরান' এর অর্থ অন্যের বরাতেও আমি তা উল্লেখ করিনি।
(1533, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1534
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কাফেলার সাথে উমর (রাঃ)-কে এরূপ অবস্থায় পেলেন যে, সে সময় তিনি তার বাবার নামে শপথ করছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ অবশ্যই তোমাদেরকে তোমাদের বাবার নামে শপথ করতে আল্লাহ তা'আলা বারণ করছেন। হয় শপথকারী আল্লাহ্ তা'আলার নামে শপথ করবে না হয় নিরব থাকবে। সহীহ, প্রাগুক্ত, নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
(1534, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1535
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সা’দ ইবনু উবাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, ইবনু উমার (রাঃ) একজন লোককে বলতে শুনলেন, না, কাবার শপথ! ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহ তা'আলার নাম ব্যতীত অন্য কিছুর নামে শপথ করা যাবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তা'আলার নাম ব্যতীত অন্য কিছুর নামে যে লোক শপথ করল সে যেন কুফরী করল অথবা শিরক করল। সহীহ, ইরওয়া (২৫৬১), সহীহা (২০৪২) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। এ হাদীসের ব্যাখ্যায় কয়েকজন অভিজ্ঞ আলিম বলেছেন, সে কুফরী করল অথবা শিরক করল’ কথাটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধমকি এবং শাসনের সুরে বলেছেন। তারা নিম্নের হাদীসটি নিজেদের দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেনঃ উমর (রাঃ)-কে তার আব্বার নামে শপথ করতে শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সাবধান! তোমাদেরকে নিজেদের আব্বার নামে শপথ করতে আল্লাহ তা'আলা বারণ করেছেন। দ্বিতীয়তঃ আবূ হুরাইরা (রাঃ) বর্ণিত হাদীস-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “যে লোক নিজের শপথে বলে, লাতের শপথ! উযযার শপথ! সে যেন বলে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ!” আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসের তাৎপর্য এরূপ যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “লোক দেখানোর মনোবৃত্তি শিরকের সমতুল্য।" যেমন কয়েকজন অভিজ্ঞ আলিম সূরা কাহফের সর্বশেষ আয়াত- “যে লোক তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাতের আশা রাখে সে যেন সৎকাজ করে এবং তার প্রভুর ইবাদাতের মধ্যে অন্য কাউকে শরীক না করে"-এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে যেন ইবাদাত না করে।
(1535, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1536
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কোন একজন মহিলা পায়ে হেঁটে বাইতুল্লাহ শারীফে যাওয়ার মানত করে। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা তার হাটার মুখাপেক্ষী নন। তোমরা তাকে সাওয়ার হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দাও। হাসান সহীহ, নাসা-ঈ আবূ হুরাইরা, উকবা ইবনু আমির ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা এই সূত্রে হাসান সহীহ গারীব বলেছেন। এ হাদীস মোতাবিক কয়েকজন অভিজ্ঞ আলিম আমল করেছেন। তারা বলেছেন, কোন মহিলা পায়ে হেটে হাজ্জ করার মানত করলেও সে সাওয়ারীতে চড়ে যাবে এবং একটি বকরী কুরবানী করবে।
(1536, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1537
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন অতি বৃদ্ধ লোকের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তার দুই ছেলের কাঁধে ভর করে যাচ্ছিল। তিনি প্রশ্ন করেনঃ তার কি হয়েছে? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সে (বাইতুল্লাহ শারিফে) হেঁটে যাওয়ার মানত করেছে। তিনি বললেনঃ এ লোকের নিজেকে কষ্টে নিক্ষেপ করা হতে আল্লাহ তা'আলা মুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাকে সাওয়ারীতে চড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। এ হাদীস আনাস (রাঃ) হতে অন্য এক সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। সহীহ, নাসা-ঈ
(1537, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1538
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মানত কর না। কেননা মানত ভাগ্যের পরিবর্তন করতে অক্ষম। এর দ্বারা কৃপণ লোকের কিছু আর্থিক খরচ হয় মাত্র। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২১২৩), নাসা-ঈ ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস মোতাবিক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল অভিজ্ঞ সাহাবী ও তৎপরবর্তী আলিমগণ আমল করেছেন। তারা মানতকে মাকরূহ বলেছেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেন, ‘মানত করা মাকরূহ' কথার তাৎপর্য এই যে, আনুগত্য এবং নাফরমানী উভয় ক্ষেত্রেই মানত করা মাকরূহ। কোন লোক আনুগত্যমূলক কাজে নযর মানার পর তা সম্পন্ন করলে সে সাওয়াবের অধিকারী হলেও এ ধরনের মানত মাকরূহ।
(1538, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1539
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! জাহিলী আমলে আমি এক রাত মাসজিদুল হারামে ইতিকাফের মানত করেছিলাম। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার মানত পূর্ণ কর। সহীহ, নাসা-ঈ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস মোতাবিক কয়েকজন অভিজ্ঞ আলিম বলেছেন, যদি কোন লোক ইসলাম কুবুল করে এবং আল্লাহ্ তা'আলার আনুগত্যমূলক কাজের মানত যদি তার উপর থেকে যায় তবে সে এ মানত পুরো করবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কয়েকজন সাহাবী ও তৎপরবর্তীগণ বলেছেন, তাকে রোযা সহকারে ইতিকাফ করতে হবে। তারা মনে করেন রোযা ব্যতীত ইতিকাফ সম্পন্ন হয় না। অপর কয়েকজন অভিজ্ঞ আলেম বলেছেন, ইতিকাফ আদায়কারীর জন্য রোযা রাখা জরুরী নয়। তবে সে লোক ইতিকাফের সাথে রোযা রাখার মানতও করলে তবে তাকে রোযাও আদায় করতে হবে। তাদের দলীলঃ উমার (রাঃ) মুসলিম হওয়ার আগে কা'বা শারীফে এক রাত ইতিকাফের মানত করেছিলেন। তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মানত পুরো করার নির্দেশ দেন (অথচ রাতে রোযা হয় না সুতরাং রোযা ব্যতীতও ইতিকাফ হয়)। এই মত দিয়েছেন ইমাম আহমাদ ও ইসহাকও।
(1539, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1540
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন, বেশির ভাগ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে শপথ করতেনঃ “লা ওয়া মুকাল্লিবিল কুলুবি" (না! অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারীর শপথ)। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২০৯২), বুখারী এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
(1540, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1541
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছিঃ যদি কেউ কোন মুমিন গোলাম মুক্ত করে তবে আল্লাহ তা'আলা তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বিনিময়ে তার (আযাদকারীর) প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে জাহান্নামের আগুন হতে মুক্ত করে দেন। এমনকি তার লজ্জাস্থানের বিনিময়ে আযাদকারীর লজ্জাস্থানকে মুক্ত করেন। সহীহ, ইরওয়া (১৭৪২), রাওযুন নায়ীর (৩৫৩), নাসা-ঈ আইশা, আমর ইবনু আবাসা, ইবনু আব্বাস, ওয়াসিলা ইবনুল আসকা', আবূ উমামা, উকবা ইবনু আমির ও কাব ইবনু মুররা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা এই সূত্রে হাসান সহীহ গাবীব বলেছেন। ইবনুল হাদের নাম ইয়াযীদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উসামা ইবনুল হাদ। তিনি মাদীনার অধিবাসী এবং সিকাহ বর্ণনাকারী। তার নিকট হতে মালিক ইবনু আনাস ও আরো একাধিক অভিজ্ঞ আলিম হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(1541, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1542
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সুয়াইদ ইবনু মুকাররিন আল-মুযানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা সাত ভাই ছিলাম। আমাদের মাত্র একজন খাদিম ছিল। আমাদের এক ভাই তাকে থাপ্পর মারে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে হুকুম করলেন তাকে মুক্ত করে দেয়ার জন্য। সহীহ, মুসলিম ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। উল্লেখিত হাদীসটি একাধিক বর্ণনাকারী হুসাইন ইবনু আবদুর রাহমানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাদের কেউ কেউ এতে “লাতামাহা অালা ওয়াজহিহা” (সে তার মুখে থাপ্পর মারে) বর্ণনা করেছেন।
(1542, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1543
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সাবিত ইবনু যাহহাক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে মানুষ ইসলাম ধর্ম ব্যতীত অন্য ধর্মের নামে মিথ্যা শপথ করল, সে যেরূপ বলেছে সে তদ্রুপ। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২০৯৮), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ইসা হাসান সহীহ বলেছেন। যে মানুষ ইসলাম ধর্ম ব্যতীত অন্য ধর্মের শপথ করে তার ব্যাপারে আলিমদের মধ্যে দ্বিমত আছে। যেমন সে বলল, যদি সে এরূপ করে বা এটা করে তবে ইয়াহুদী অথবা নাসারা হয়ে যাবে। শপথের পর সে অনুরূপ কাজ করল। এ ব্যক্তির ব্যাপারে একদল আলিম বলেন, সে একটা মারত্মক কথা বলেছে। তবে তার উপর কোন কাফফারা ধার্য হবে না। এই মত দিয়েছেন মদীনার অলিমগণও। মালিক ইবনু আনাসেরও এই মত। আবূ উবাইদেরও একই মত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী, তাবিঈ ও পরবর্তীগণ মনে করেন তাকে কাফফারা প্রদান করতে হবে। এই মত প্রকাশ করেছেন সুফিয়ান সাওরী, আহমাদ ও ইসহাকও।
(1543, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1544
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উকবা ইবনু আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বোন খালি পায়ে, খালি মাথায় ওড়নাবিহীন অবস্থায় পায়ে হেটে বাইতুল্লাহ শরীফ যাওয়ার মানত করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার বোনের এমন কষ্ট স্বীকারে আল্লাহ্ তা'আলার কিছু যায় আসে না। সে যেন, সাওয়ার হয়ে ওড়না পরে যায় এবং তিন দিন রোযা রাখে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (২১৩৪) এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। একদল বিশেষজ্ঞ আলিম এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাকও একই রকম কথা বলেছেন (তিন দিন রোযা রাখতে হবে)।
(1544, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)