হোম আল হাদিস জামে' আত-তিরমিযী

জামে' আত-তিরমিযী

Jami` at-Tirmidhi | মোট অধ্যায়: 49, মোট হাদিস: 3,998 টি
جامع الترمذي

সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 3,998 টি।

হাদিস নম্বর জাম্প:
রিসেট

হাদিস তালিকা

জামে' আত-তিরমিযী : 1670
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার জন্য কাধের হাড় অথবা তক্তা আন। তিনি তাতে এই আয়াত লিখালেনঃ “মুমিনদের মধ্যে যেসব লোক ঘরে বসে থাকে তারা সমকক্ষ হতে পারে না”। আমর ইবনু উম্মি মাকতুম (রাঃ) তার পিছনে বসা ছিলেন। তিনি বললেন, আমার জন্য (ঘরে বসে থাকার) অনুমতি আছে কি? তখন অবতীর্ণ হলঃ “ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ ব্যতীত”। সহীহ বুখারী (২৮৩১,৪৫৯৩,৪৫৯৪), মুসলিম (৬৪৩), তক্তা শব্দ ব্যতীত ইবনু আব্বাস, জাবির ও যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ ইসহাক হতে সুলাইমান আত-তাঈমীর সূত্রে গরীব। এ হাদীসটি আবূ ইসহাকের সূত্রে শুবা ও সুফিয়ান সাওরীও বর্ণনা করেছেন।
(1670, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1671
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একজন লোক এসে তার কাছে জিহাদে যোগদানের সম্মতি চাইল। তিনি বললেন তোমার মা-বাবা কি বেঁচে আছে? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি তাদের সেবায় জিহাদ কর। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৭৮২), নাসা-ঈ ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ্। আবূল আব্বাস ছিলেন মক্কার অধিবাসী একজন অন্ধ কবি। তার নাম সাইব ইবনু ফাররূখ।
(1671, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1672
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু জুরাইজ (রহঃ) আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ “তোমরা আল্লাহ্ তা'আলার আনুগত্য কর, রাসূলের আনুগত্য কর এবং তোমাদের সকল কাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদেরও” এই আয়াত প্রসঙ্গে বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফা ইবনু কাইস ইবনু আদী আস-সাহমী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একটি অভিযানে প্রেরণ করেছিলেন। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ (২৩৫৯), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ গারীব বলেছেন। এ হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র ইবনু জুরাইজের সূত্রেই জেনেছি।
(1672, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1673
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একাকী ভ্রমণে যে কি (অনিষ্ট) রয়েছে, তা আমি যে রকম জানি, অন্যরাও সে রকম জানলে কোন ভ্রমণকারীই রাতে একাকী ভ্রমণ করত না। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৭৬৮), বুখারী
(1673, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1674
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একা ভ্রমণকারী এক শাইতান, দুইজন ভ্রমণকারী দুই শাইতান এবং তিনজন ভ্রমণকারী একটি জামা'আত। হাসান, সহীহা (৬৪), মিশকাত (৩৯১০), সহীহ আবূ দাউদ (২৩৪৬) ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধু উল্লেখিত সূত্রেই আসিমের রিওয়ায়াত হিসাবে জেনেছি। আসিমের বাবা মুহাম্মাদ, দাদা যাইদ, পরদাদা আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)। ইমাম বুখারী (রাহঃ) বলেন, আসিম নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী। আর আসিম ইবনু উমার আল-উমারী হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল। আমি তার সূত্রে কোন হাদীস বর্ণনা করি না। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান।
(1674, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1675
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আমর ইবনু দীনার (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যুদ্ধ হল ধোকা। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৮৩৩, ২৮৩৪) আবূ ঈসা বলেন, আলী, জাইদ ইবনু সাবিত, আইশা, ইবনু আব্বাস, আবূ হুরাইরা, আসমা বিনতু ইয়াযীদ, কাব ইবনু মালিক ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছদে হাদিস বর্ণিত আছে। এ হাদিসটি হাসান সহিহ।
(1675, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1676
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি যাইদ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর পাশে উপস্থিত ছিলাম। তাকে প্রশ্ন করা হল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়টি যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, উনিশটি। আমি প্রশ্ন করলাম, আপনি কতটি যুদ্ধে তার সাথে ছিলেন? তিনি বললেন, সতেরটিতে। আমি বললাম, এর মধ্যে সর্বপ্রথম কোন যুদ্ধটি ছিল? তিনি বললেন, যাতুল উশাইর বা উশাইরার যুদ্ধ। সহীহ, নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
(1676, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1677
Daif Isnaad
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের যুদ্ধে আমাদেরকে রাতের বেলা সারিবদ্ধভাবে বিন্যস্ত করেছেন। সনদ দুর্বল আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে আবূ আইউব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু উপরোক্ত সনদসূত্রে এটি জেনেছি। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলকে এ হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি এ প্রসঙ্গে অজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রাহঃ) সরাসরি ইকরিমা হতে হাদীস শুনেছেন। তিরমিয়ী বলেন, আমি ইমাম বুখারীর সাথে আমার সর্বপ্রথম সাক্ষাতে লক্ষ্য করি যে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু হুমাইদ আর-রায়ী প্রসঙ্গে ভাল ধারণা পোষণ করতেন। কিন্তু পরে তিনি তাকে দুর্বল রাবী বলে আখ্যায়িত করেন।
(1677, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1678
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি মুশরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে তাকে অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দু’আ করার সময় বলতে শুনেছিঃ “হে আল্লাহ! কিতাব অবতীর্ণকারী এবং দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী শক্রবাহিনীকে পরাজিত কর এবং তাদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত কর”। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ (২৩৬৫), নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
(1678, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1679
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করেন এবং তার ক্ষুদ্র পতাকা ছিল সাদা রং-এর। হাসান, ইবনু মা-জাহ (৩৮১৭) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শারীকের সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনু আদমের নিকট হতেই জেনেছি। আমি এ হাদীস প্রসঙ্গে মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলকে প্রশ্ন করলে তিনিও শুধু এই সূত্রটিই (শারীক-ইয়াহইয়া) উল্লেখ করেন। একাধিক বর্ণনাকারী পর্যায়ক্রমে শারীক, আম্মার, আবূয যুবাইর, তারপর জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করার সময় তার মাথায় ছিল কালো পাগড়ী”।ইমাম বুখারী (রাহঃ) বলেন, এটিই হল সেই হাদীস। আবূ ঈসা বলেন, দুহন হল বাজীলা গোত্রের একটি শাখা গোত্র। আম্মার আদ-দুহনীর উপনাম আবূ মুআবিয়া। তিনি ছিলেন কূফার অধিবাসী। হাদীস বিশারদদের মতে তিনি সিকাহ (নির্ভরযোগ্য) বর্ণনাকারী।
(1679, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1680
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিমের মুক্তদাস ইউনুস ইবনু উবাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের (বড়) পতাকা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করার জন্য বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ)-এর নিকট প্রেরণ করেন। বারাআ (রাঃ) বলেন, পতাকাটি ছিল কালো রং-এর, বর্গাকৃতির এবং পশমী কাপড়ের। “বর্গাকৃতির" শব্দটি ব্যতীত হাদীসটি সহীহ্ সহীহ আবূ দাউদ (২৩৩৩) আলী, হারিস ইবনু হাম্মান ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীস প্রসঙ্গে শুধুমাত্র ইবনু আবী যাইদার সূত্রেই জেনেছি। আবূ ইয়াকুব আস-সাকাফীর নাম ইসহাক, পিতা ইবরাহীম। তার সূত্রে উবাইদুল্লাহ ইবনু মূসাও হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(1680, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1681
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাইয়াহ (বড় পতাকা) ছিল কালো রং-এর এবং লিওয়া (ছোট পতাকা) ছিল সাদা রং-এর। হাসান, ইবনু মা-জাহ (২৮১৮) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি উল্লেখিত সনদসূত্রে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনা হিসাবে হাসান গারীব।
(1681, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1682
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মুহাল্লাব ইবনু আবূ সুফরা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি এমন একজনের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ যদি রাতের আঁধারে শত্রু বাহিনী তোমাদেরকে আক্রমণ করে তাহলে তোমরা এই সংকেত উচ্চারণ করঃ হা-মীম’, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না। সহীহ, মিশকাত তাহকীক ছানী (৩৯৪৮) আবূ ঈসা বলেন, সালামা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। কতিপয় বর্ণনাকারী সুফিয়ান সাওরীর অনুরূপ আবূ ইসহাকের সূত্রেও বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটি তার নিকট হতে মুহাল্লাব-এর বরাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে মুরসালভাবেও বর্ণিত আছে।
(1682, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1683
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেনঃ আমি আমার তরবারি সামুরা (রাঃ)-এর তরবারির আকৃতিতে তৈরি করেছি। সামুরা (রাঃ) বলেন যে, তিনি তার তরবারি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তরবারির আদলে তৈরি করেছেন। তার তরবারি ছিল বানু হানীফ গোত্রের তরবারির মতই। যঈফ, মুখতাসার শামায়িল মুহাম্মাদীয়া (৮৮) আবূ ঈসা বলেছেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু উল্লেখিত সূত্রেই এ হাদীসটি জেনেছি। প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান (রাহঃ) উসমান ইবনু সা’দ আল-কাতিবের স্মৃতির সমালোচনা করে তাকে স্মৃতির দিক হতে দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন।
(1683, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1684
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মাররায-যাহরান নামক জায়গায় পৌছলেন, তখন তিনি আমাদেরকে শত্রুর মুকাবিলা করার কথা জানিয়ে দিলেন। তিনি আমাদেরকে রোযা ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিলেন। তাই আমরা সবাই রোযা ভেঙ্গে ফেললাম। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ (২০৮১), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
(1684, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1685
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ তালহা (রাঃ)-এর মানদূব নামক ঘোড়ার উপর চড়ে রাওয়ানা করলেন। তিনি (বাইরে গিয়ে ভীতির কোন কারণ খুঁজে না পেয়ে ফিরে এসে) বললেনঃ ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। আমি ঘোড়াটিকে অবশ্য সাগরের স্রোতের মতো বেগবান পেলাম। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৭৭২) আবূ ঈসা বলেন, ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ্।
(1685, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1686
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একবার মাদীনার জনগণের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের মানদূব নামক ঘোড়াটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধার নিলেন। তিনি (বাইরে হতে ঘুরে এসে) বললেনঃ আমরা ভয় পাওয়ার কোন কারণ খুঁজে পেলাম না। আমরা অবশ্য ঘোড়াটিকে সমুদ্রের স্রোতের অনুরূপ বেগবান পেলাম। সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
(1686, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1687
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন অত্যন্ত সুদর্শন, দানশীল ও সাহসী পুরুষ। আনাস (রাঃ) বলেন, মদীনাবাসীগণ এক রাতে একটি (বিকট) শব্দ শুনতে পেয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ তালহা (রাঃ)-এর একটি জিনবিহীন ঘোড়ায় উঠে কাঁধে তলোয়ার ঝুলিয়ে তাদের সাথে দেখা করেন এবং বলেন, তোমরা ভয় পেও না, তোমরা ভয় পেও না। তিনি আরও বলেন, আমি এটাকে সমুদ্রের অনুরূপ বেগবান পেয়েছি অর্থাৎ ঘোড়াটিকে। সহীহ, দেখুন হাদীস নং (১৬১৯) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
(1687, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1688
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাদেরকে একজন লোক প্রশ্ন করল, হে আবূ উমারা! আপনারা কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (যুদ্ধে একা ফেলে) রেখে পালিয়েছিলেন? তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! কখনো নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো (যুদ্ধ হতে) পালাননি। বরঞ্চ কয়েকজন তাড়াহুড়াকারী লোক পালিয়েছিল। হাওয়াযিন বংশের জনগণ তীরবৃষ্টি বর্ষণ করতে করতে তাদের মুখোমুখি হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার খচ্চরের পিঠে বসা অবস্থায় ছিলেন এবং এর লাগাম ধরে রেখেছিলেন আবৃ সুফিয়ান ইবনুল হারিস ইবনু আবদুল মুত্তালিব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছিলেনঃ “নিঃসন্দেহে আমি (আল্লাহর) নবী, এর মধ্যে বিন্দুমাত্র মিথ্যা নেই, আমি আবদুল মুত্তালিবের বংশধর"। সহীহ, মুখতাসার শামাইল (২০৯), নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, আলী ও ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
(1688, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1689
Sahih Isnaad
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা হুনাইনের যুদ্ধের দিন দুইটি দলকে পলায়নপর দেখতে পেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একশত জন লোকও ছিল না। সনদ সহীহ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র উবাইদুল্লাহর রিওয়ায়াত হিসাবে উপরোক্ত সূত্রে জেনেছি।
(1689, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)