জামে' আত-তিরমিযী
Jami` at-Tirmidhi | মোট অধ্যায়: 49, মোট হাদিস: 3,998 টি
جامع الترمذي
সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 3,998 টি।
হাদিস তালিকা
জামে' আত-তিরমিযী : 1788
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও উচ্চ দস্তরখানে (টেবিলে) বসে এবং (বিভিন্ন প্রকার চাটনি ও হজমির) ছোট ছোট পেয়ালায় নিয়ে খাননি। কখনো তার জন্য পাতলা রুটি বানানো হয়নি। কাতাদা (রাহঃ)-কে আমি (ইউনুস) প্রশ্ন করলাম, তাহলে কিসের উপর (থালা) রেখে তারা খাওয়া-দাওয়া করতেন? তিনি বললেন, চামড়ার এই সাধারণ দস্তরখান বিছিয়ে তার উপর। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৯২), বুখারী এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার বলেন, এই ইউনুস হলেন ইউনুস আল-ইসকাফ। সাঈদ ইবনু আবী আরুবা হতে, তিনি কাতাদা হতে, তিনি আনাস (রাঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে আবদুল ওয়ারিস ইবনু সাঈদ (রাহঃ) উপরোক্ত হাদীসের মতো বর্ণনা করেছেন।
(1788, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1789
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। হিশাম ইবনু যাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি, আমরা একটি খরগোশকে মাররায-যাহরানে তাড়া করলাম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ এর পিছু ধাওয়া করলেন। আমি এর নাগালে পৌছে তা ধরে ফেললাম। আমি আবূ তালহা (রাঃ)-এর সামনে খরগোশটি নিয়ে আসলে তিনি একটি ধারালো পাথর দিয়ে তা যবেহ করেন। তিনি আমাকে এর উরু অথবা নিতম্বের গোশত দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাঠালে তিনি তা খেলেন। আমি (হিশাম) প্রশ্ন করলাম, তিনি কি তা খেয়েছেন? আনাস (রাঃ) বললেন, তিনি তা গ্রহণ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৪৩), নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, জাবির, আম্মার ও মুহাম্মাদ ইবনু সাফওয়ান (রাঃ) (তাকে মুহাম্মাদ ইবনু মাইকীও বলা হয়) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীস মোতাবিক বেশিরভাগ অভিজ্ঞ আলিম আমল করেছেন। খরগোশের গোশত খাওয়াতে কোন সমস্যা নেই বলে তারা মনে করেন। খরগোশের গোশত খাওয়াকে অপর কয়েকজন বিশেষজ্ঞ আলিম মাকরূহ বলেন। তারা বলেন, খরগোশের ঋতুস্রাব হয়।
(1789, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1790
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, দব্ব (অনেকটা গুইসাপের মত দেখতে) খাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ আমি তা খাই না এবং তা হারামও বলি না। সহীহ, নাসা-ঈ উমার, আবূ সাঈদ, ইবনু আব্বাস, সাবিত ইবনু ওয়াদিআ, জাবির ও আবদুর রাহমান ইবনু হাসান নহে (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। দব্ব (অনেকটা গুইসাপের মত দেখতে) খাওয়ার ব্যাপারে অভিজ্ঞ আলিমগণ দ্বিমত পোষণ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও অপরাপর আলিম তা খাওয়ার পক্ষে সম্মতি দিয়েছেন এবং তাদের অন্য এক দল তা খাওয়াকে মাকরূহ বলেছেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, দব্বের গোশত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দস্তরখানে খাওয়া হয়েছে; তিনি ব্যক্তিগত অরুচির কারণে তা পরিত্যাগ করেছেন”।
(1790, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1791
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আবী আম্মার (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, দাবু কি শিকারযোগ্য প্রাণী? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি আবার বললেন, আমি কি তা খেতে পারি? জাবির (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, প্রশ্নকারী আবার প্রশ্ন করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তা বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৩৬) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীস মোতাবিক একদল অভিজ্ঞ আলিম আমল করেছেন। দাবু খাওয়াতে তারা কোন সমস্যা মনে করেন না। এই অভিমত দিয়েছেন ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে দাবু খাওয়া মাকরূহ হওয়ার ব্যাপারেও একটি হাদীস বর্ণিত আছে। কিন্তু তার সনদ খুব একটা জোড়ালো নয়। দাবু খাওয়াকে অপর একদল আলিম মাকরূহ বলেছেন। একথা বলেছেন ইবনুল মুবারাকও। প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান বলেছেন, এ হাদীসটিকে আবদুল্লাহ ইবনু উবাইদ ইবনু উমাইর-ইবনু আবী আম্মার হতে, তিনি জাবির (রাঃ) হতে, তিনি উমর (রাঃ)-এর সূত্রে উমর (রাঃ)-এর কথা বলে জারীর ইবনু হাযিম বর্ণনা করেছেন। এ ক্ষেত্রে ইবনু জুরাইজের হাদীসটিই অনেক বেশি সহীহ। ইবনু আবী আম্মারের নাম আবদুর রাহমান ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবী আম্মার। তিনি মক্কার অধিবাসী।
(1791, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1792
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। খুযাইমা ইবনু জাযয়ি (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে ভালুক খাওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ ভালুক কেউ খায় নাকি? আমি তাকে নেকড়ে বাঘ খাওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ কোন উত্তম লোক নেকড়ে বাঘ খায় নাকি? যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩২৩৭) আবূ ঈসা বলেছেন, এ হাদীসের সনদ মযবুত নয়। আমরা শুধুমাত্র ইসমাঈল ইবনু মুসলিমের মাধ্যমে আব্দুল করিমের সূত্রেই হাদীসটি জানতে পেরেছি। কিছু হাদীস বিশারদ এ হাদীসের রাবী ইসমাঈলও আবদুল কারম আবূ উমাইয়্যার সমালোচনা করেছেন। তিনি কাইস ইবনুল মুখারিকের পুত্র। কিন্তু মালিক আল-জাযারীর পুত্র আবদুল কারীম সিকাহ রাবী।
(1792, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1793
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ঘোড়ার গোশত খাইয়েছেন এবং আমাদেরকে গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইরওয়া (৮/১৩৮) মুসলিম ও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আমর ইবনু দীনারের সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে একাধিক বর্ণনাকারী একইরকম বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটি আমর ইবনু দীনার হতে মুহাম্মাদ ইবনু আলী (রহঃ)-এর সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে হাম্মাদ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন। ইবনু উয়াইনার বর্ণনাটি অনেক বেশি সহীহ। আমি (তিরমিয়ী) ইমাম বুখারীকে বলতে শুনেছি, হাম্মাদ ইবনু যাইদ (রহঃ)-এর চেয়ে সুফিয়ান ইবনু উয়াইন (রহঃ) বেশি স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন ছিলেন।
(1793, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1794
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, খাইবারের (যুদ্ধের) সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদের সাথে মুতআ বিয়ের সম্পর্ক স্থাপন করতে এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইনু মা-জাহ (১৯৬১), নাসা-ঈ সাঈদ ইবনু আবদুর রাহমান আল-মাখযুমী-সুফিয়ান হতে, তিনি যুহরী হতে, তিনি আবদুল্লাহ ও হাসান (মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়ার পুত্রদ্বয়) হতে অনুরূপ বর্ণিত আছে। যুহরী (রাহঃ) বলেন, হাসান ইবনু মুহাম্মাদই হলেন এই দুইজনের মধ্যে অনেক বেশি সন্তোষজনক। সাঈদ ইবনু আবদুর রাহমান ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারী ইবনু উয়াইনা হতে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ তাদের মধ্যে অনেক বেশি সন্তোষজনক। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
(1794, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1795
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, খাইবারের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কোন প্রকারের শিকারী দাতযুক্ত হিংস্র প্রাণী, চাদমারির (নিশানার) লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা করা প্রাণী (মুজাসসামা) এবং গৃহপালিত গাধা হারাম ঘোষণা করেছে। হাসান সহীহ, সহীহা (৩৫৮, ২৩৯১), ইরওয়া (২৪৮৮) আলী, জাবির, বারাআ, ইবনু আবী আওফা, আনাস, ইরবায ইবনু সারিয়া, আবূ সালাবা, ইবনু উমার ও আবূ সাঈদ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু আমর হতে অপর একটি সূত্রে আবদুল আযীয ইবনু মুহাম্মাদ প্রমুখ বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তাদের বর্ণনায় তারা একটিমাত্র বিষয় উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম “শিকারী দাঁতযুক্ত হিংস্র প্রাণী হারাম ঘোষণা করেছেন”।
(1795, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1796
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ সালাবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মাজুসীদের (অগ্নি উপাসক) হাড়ি-পাতিল সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেনঃ এগুলো ধুয়ে পরিষ্কার করে নাও, তারপর এগুলো রান্নার কাজে লাগাও। শিকারী দাতযুক্ত হিংস্র প্রাণী তিনি নিষিদ্ধ করেছেন। সহীহ, (১৫৬০) নং হাদীস পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি আবূ সালাবা (রাঃ)-এর রিওয়ায়াত হিসাবে মাশহুর। তার সূত্রে অন্যভাবেও এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আবূ সালাবা (রাঃ)-এর নাম জুরসূম, মতান্তরে জুরহুম বা নাশিব। আবূ কিলাবা-আবূ আসমা আর-রাহাবী হতে, তিনি আবূ সালাবা (রাঃ) হতে এই সূত্রেও উল্লেখিত হাদীস বর্ণিত আছে।
(1796, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1797
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ সালাবা আল-খুশানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আহলে কিতাবের লোকালয়ে বাস করি, তাদের হাড়ি-পাতিলে রান্না করি এবং তাদের থালা-বাটি পানাহারের কাজে লাগাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এদেরগুলো ব্যতীত অন্য ব্যবস্থা করতে না পারলে তবে পানি দিয়ে এগুলো ধুয়ে নাও। তিনি আবার বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! শিকারের পশু পাওয়া যায় এমন এলাকায় আমরা বসবাস করি, আমরা কি করব? তিনি এবং সাথে সাথে আল্লাহ্ তা'আলার নাম নিয়ে থাকলে সে শিকার ধরে হত্যা করে ফেললে তুমি তা খেতে পার। কুকুরটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত না হলে তবে এর শিকার যবেহ করার সুযোগ পাওয়া গেলে তা খাও। তুমি তোমার তীর নিক্ষেপ করলে এবং সাথে সাথে আল্লাহ তা'আলার নাম নিলে তা শিকারকে মেরে ফেললেও তা খেতে পার। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২০৭), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
(1797, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1798
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মাইমূনা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, কোন এক সময় ঘিয়ের মধ্যে একটি ইদুর পড়ে মারা গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেনঃ ইদুরটি তুলে ফেল এবং এর চারপাশের ঘিও ফেলে দাও, তারপর তা খাও। সহীহ, বুখারী (২৩৫) আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। যুহরী-উবাইদুল্লাহ হতে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বরাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রেও উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণিত আছে এবং এই সনদসূত্রে মাইমূনা (রাঃ)-এর উল্লেখ নেই। তবে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে এই মাইমূনা (রাঃ)-এর সূত্রটি অনেক বেশি সহীহ। পূর্বোক্ত হাদীসের মতো মামার-যুহরী হতে, তিনি সাইদ ইবনুল মুসাইয়্যিব হতে, তিনি আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে বর্ণিত আছে, কিন্তু এই সূত্রটি অরক্ষিত। আবূ ঈসা বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আল-বুখারীকে বলতে শুনেছি, মামার-যুহরী হতে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব হতে, তিনি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত আছে যে, তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শক্ত হয়ে জমানো ঘি হলে তোমরা ইদুরটি এবং তার চারপাশের ঘি ফেলে দাও, আর তরল হলে তার ধারেও যেও না। এই বর্ণনাটি। এবং মামার এতে ভুল করেছেন। নির্ভুল হল যুহরী-উবাইদুল্লাহ হতে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে, তিনি মাইমূনা (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি।
(1798, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1799
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বাম হাতে যেন তোমাদের কেউ না খায় এবং পান না করে। কেননা বাম হাতে শাইতান পানাহার করে। সহীহ, সহীহা (১২৩৬), মুসলিম জাবির, উমার ইবনু আবী সালামা, সালামা ইবনুল আকওয়া, আনাস ইবনু মালিক ও হাফসা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীসটি বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। মামার ও উকাইল (রাহঃ)-যুহরী হতে, তিনি সালিম হতে, তিনি ইবনু উমর (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মালিক ও ইবনু উয়াইনার সূত্রটি তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি সহীহ।
(1799, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1800
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকে যেন খাওয়ার সময় ডান হাতে খায় এবং ডান হাতে পান করে। কারণ বাম হাতে শাইতান পানাহার করে। সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস
(1800, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1801
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকে যেন খাওয়ার শেষে তার আঙ্গুল চাটে। কেননা তার জানা নেই যে, খাবারের কোন ভাগে বারকাত নিহিত রয়েছে। সহীহ, রাওযুন নায়ীর (১৯), মুসলিম জাবির, কাব ইবনু মালিক ও আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র সুহাইল ইবনু আবূ সালিহ-এর সূত্রেই জেনেছি। আমি (তিরমিয়ী) এ হাদীস সম্বন্ধে মুহাম্মাদকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আবদুল আযীযের হাদীসটি বিরোধপূর্ণ। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র তার সূত্রেই জেনেছি।
(1801, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1802
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কারো খাবারের লোকমা নিচে পড়ে যায় তাহলে সে যেন সন্দেহজনক জিনিস (ময়লা) দূর করে তা খেয়ে নেয় এবং তা যেন শাইতানের জন্য ফেলে না রাখে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৭৯), মুসলিম আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
(1802, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1803
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাওয়ার পরে তার তিনটি আঙ্গুল চাটতেন। তিনি বলতেনঃ তোমাদের কারো খাবারের লোকমা নিচে পড়ে গেলে সে যেন তার ময়লা দূর করে তা খেয়ে নেয় এবং শাইতানের জন্য তা ফেলে না রাখে। (বর্ণনাকারী বলেন,) আমাদেরকে তিনি থালাও চেটে খাওয়ার জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেনঃ তোমাদের খাদ্যের কোন অংশ বরকত রয়েছে তা তোমাদের জানা নেই। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল (১২০), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব সহীহ বলেছেন।
(1803, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1804
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। উম্মু আসিম (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা নুবাইশ আল-খাইর (রাঃ) আমাদের নিকটে এলেন, আমরা একটি পাত্রে খাবার খাচ্ছিলাম। তিনি আমাদের নিকটে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি পাত্রে খাবার পর তা চেটে খেলে পাত্রটি তার জন্য (আল্লাহ্ তা'আলার নিকটে) ক্ষমা প্রার্থনা করে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩২৭১) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। শুধুমাত্র মুআল্লা ইবনু রশিদের সূত্রেই আমরা হাদীসটি জানতে পেরেছি। ইবনু হারুন-সহ আরো কিছু রাবী এ হাদীসটি শুধু মুআল্লা ইবনু রাশিদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(1804, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1805
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাদ্যের মাঝখানে বারকাত নাযিল হয়। অতএব তোমরা এর কিনারা হতে খাওয়া আরম্ভ কর, মাঝখান হতে খেও না। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩২৭৭) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এটি আতা ইবনুস সাইবের রিওয়ায়াত হিসাবেই পরিচিত। আতার সূত্রে শুবা ও সাওরীও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
(1805, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1806
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে এটা হতে খেলো, বর্ণনানুসারে তিনি প্রথম বার রসুনের কথা বলেছেন, তারপর বলেছেনঃ রসুন, পিয়াজ ও একইরকম দুৰ্গন্ধ যুক্ত জিনিস খেলো, সে আমাদের মসজিদের নিকটেও যেন না আসে। সহীহ, ইরওয়া (৫৪৭), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। উমার, আবূ ইয়াস আল-মুযানী ও ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীসটি বর্ণিত আছে।
(1806, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 1807
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সিমাক ইবনু হারব (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ)-কে তিনি বলতে শুনেছেন, আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ)-এর বাড়ীতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পদার্পণ করেন। তিনি খাওয়া-দাওয়ার পর (নিত্য দিনের অভ্যাস মতো) বাকী খাবার আবূ আইয়ুব আনসারীকে দিতেন। একদিন তিনি খাবার পাঠান। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা হতে মোটেও খাননি। আবূ আইয়ূব (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে এর কারণ জানতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর মধ্যে রসুন আছে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা কি হারাম? তিনি বললেনঃ না, তবে আমি এর দুর্গন্ধের কারণে তা অপছন্দ করি। সহীহ, ইরওয়া (২৫১১), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন।
(1807, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)