হোম আল হাদিস জামে' আত-তিরমিযী

জামে' আত-তিরমিযী

Jami` at-Tirmidhi | মোট অধ্যায়: 49, মোট হাদিস: 3,998 টি
جامع الترمذي

সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 3,998 টি।

হাদিস নম্বর জাম্প:
রিসেট

হাদিস তালিকা

জামে' আত-তিরমিযী : 2645
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা যে ব্যক্তির কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করেন। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২২০), বুখারী ও মুসলিম। উমার, আবূ হুরাইরাহ ও মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে। হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
(2645, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2646
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক জ্ঞানের খোঁজে কোন পথে চলবে, তার জন্য আল্লাহ তা'আলা জান্নাতের পথ সহজ করে দিবেন। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২২৫), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান।
(2646, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2647
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি জ্ঞানের খোজে বের হলে সে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহ্ তা'আলার রাস্তায় আছে বলে গণ্য হবে। যঈফ, মিশকাত (২২০)যঈফা (২০৩৭), আর-রাওয (১০৯) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। কোন কোন রাবী এ হাদীস বর্ণনা করেছেন তবে মারফুরূপে নয়।
(2647, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2648
Mawdu
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সাখবারা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি জ্ঞান খোঁজ করে, এটা তার জন্য তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহের কাফফারা হয়ে যায়। মাওযু, মিশকাত (২২১), যঈফা (৫০১৭) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি সনদের দিক হতে যঈফ। আবদুল্লাহ ইবনু সাখবারা ও তার পিতা সাখবারা (রাঃ)-এর হাদীস রিওয়ায়াত প্রসঙ্গে আমাদের বেশী কিছু জানা নেই। রাবী আবূ দাউদের নাম নুফাই আল-আ'মা কাতাদা এবং অন্যান্যরা তার সমালোচনা করেছেন।
(2648, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2649
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক এমন ইলম (জ্ঞান) সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয় যা সে জানে, অতঃপর সে তা গোপন করে, তাকে কিয়ামতের দিবসে আগুনের লাগাম পরানো হবে। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২৬৪) জাবির ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান।
(2649, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2650
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হারূন আল-আবদী (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)-এর নিকটে (জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে) আসলে তিনি বলতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপদেশকে “মারহাবা, স্বাগতম!” কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (আমার পরে) মানুষ তো তোমাদের অনুসারী হবে। দিগদিগন্ত হতে মানুষ ধর্মের জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে তোমাদের নিকটে আসবে। তারা তোমাদের নিকটে এলে তোমরা তাদের কল্যাণ সাধনের ব্যাপারে (আমার) উপদেশ গ্রহণ কর। যঈফ, ইবনু মাজাহ (২৪৯) আবূ ঈসা বলেনঃ আলী ইবনু আবদুল্লাহ বলেছেন যে, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ বলেছেন, শুবা (রাহঃ) আবূ হারূন আবদীকে যঈফ বলতেন, কিন্তু ইবনু আওন আমৃত্যু তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ হারূনের নাম উমারা ইবনু জুয়াইন।
(2650, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2651
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রাচ্যের দিক হতে বহু লোক জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে তোমাদের নিকটে আসবে। তারা তোমাদের নিকটে এলে তোমরা তাদের কল্যাণ কামনায় (আমার) সদুপদেশ গ্রহণ কর। তিনি (হারূন) বলেন, আবূ সাঈদ (রাঃ) আমাদের দেখলে বলতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপদেশকে স্বাগতম। যঈফ, দেখুন পূর্বের হাদীস আবূ ঈসা বলেন, আবূ হারূন আবদী-আবূ সাঈদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীস ব্যতীত এই প্রসঙ্গে আমাদের কিছু জানা নাই।
(2651, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2652
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (শেষ যামানায়) আল্লাহ তা'আলা মানুষের নিকট হতে একটানে ইলম উঠিয়ে নিবেন না, বরং আলিমদেরকে উঠিয়ে নেয়ার মাধ্যমেই ইলম উঠিয়ে নিবেন। অবশেষে যখন তিনি কোন আলিমই অবশিষ্ট রাখবেন না, তখন মানুষেরা অজ্ঞ জাহিলদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে। তারপর বিভিন্ন বিষয়ে তাদের নিকট প্রশ্ন করা হবে, আর তারা ইলম ছাড়াই ফাতাওয়া দিবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যকেও পথভ্রষ্ট করবে। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৫২), বুখারী ও মুসলিম। আয়িশাহ ও যিয়াদ ইবনু লাবীদ (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। যুহরী (রহঃ) এ হাদীস উরওয়াহ হতে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ)-এর বরাতে এবং উরওয়াহ হতে, ‘আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে, উভয় সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন।
(2652, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2653
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূদ দারদা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ "-এর সাথে ছিলাম। তিনি আকাশের দিকে তাকালেন, তারপর বললেনঃ এই সময়ে মানুষের কাছ থেকে ইলমকে ছিনিয়ে নেয়া হবে, এমনকি এ সম্পর্কে তাদের কোন সামর্থ্যই থাকবে না। যিয়াদ ইবনু লাবীদ আল-আনসার (রাযিঃ) জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের নিকট হতে কিভাবে ইলম ছিনিয়ে নেয়া হবে, অথচ আমরা কুরআন তিলাওয়াত করি? আল্লাহর কসম! অবশ্যই আমরা তা তিলাওয়াত করবো এবং আমাদের স্ত্রীদের ও সন্তানদেরকেও তা শিখাবো। তিনি বললেনঃ হে যিয়াদ! তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক, আমি তো তোমাকে মাদীনার অন্যতম জ্ঞানী ব্যক্তি বলেই গণ্য করতাম! এই তো ইয়াহুদী-নাসারাদের নিকট তাওরাত ও ইনজীল রয়েছে, তা তাদের কি কাজে লেগেছে? জুবাইর (রাযিঃ) বলেন, তারপর আমি উবাদা ইবনুস সামিত (রাযিঃ)-এর সাথে দেখা করে বললাম, আপনার ভাই আবূদ দারদা (রাযিঃ) কি বলছেন তা আপনি শুনতে পাননি? আবূদ দারদা (রাযিঃ) যা বলেছেন, তা আমি তার নিকট বললাম। তিনি বলেন, আবূদ দারদা (রাযিঃ) ঠিকই বলেছেন। তুমি চাইলে আমি তোমাকে একটি কথা বলতে পারি। ইলমের যে বস্তুটি সর্বপ্রথম মানুষের কাছ থেকে তুলে নেয়া হবে তা হল বিনয়। খুব শীঘ্রই তুমি কোন জামে মসজিদে গিয়ে হয়তো দেখবে যে, একজন লোকও সেখানে বিনয়াবনত নয়। সহীহঃ তাখরীজু ইকতিযায়িল ইলমি আল-আমল (৮৯) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। হাদীসবিশারদগণের মতে মু'আবিয়াহ ইবনু সালিহ একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান ব্যতীত অন্য কেউ তার সমালোচনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। মুআবিয়াহ ইবনু সালিহ হতেও এরকম হাদীস বর্ণিত আছে। কোন কোন বর্ণনাকারী এই হাদীস আবদুর রাহমান ইবনু জুবাইর ইবনু নুফাইর হতে, তিনি তার বাবা হতে, তিনি ‘আওফ ইবনু মালিক (রাযিঃ)-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন।
(2653, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2654
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। কাব ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে লোক আলিমদের সাথে তর্ক বাহাস করা অথবা জাহিল-মূর্খদের সাথে বাকবিতণ্ডা করার জন্য এবং মানুষকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করার উদ্দেশে ইলম অধ্যয়ন করেছে, আল্লাহ তা'আলা তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। হাসানঃ মিশকাত (২২৩-২২৫), তা’লীকুর রাগীব (১/৬৮)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই জেনেছি। হাদীস বিশেষজ্ঞদের মতে ইসহাক ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু তালহা খুব একটা শক্তিশালী বর্ণনাকারী নন। তার স্মৃতিশক্তি সমালোচিত।
(2654, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2655
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত আছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জন করে অথবা এর দ্বারা আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্য কিছু অর্জনের ইচ্ছা করে সে যেন তার বাসস্থান জাহান্নামে নির্দিষ্ট করে নেয়। (য’ঈফ; ইবনু মাযাহ-হাঃ নং- ২৫৮) এ অনুচ্ছেদে জাবির (রাযি.) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। উপরিউক্ত সূত্র ব্যতীত আইয়ুবের কোন হাদীস আমাদের জানা নেই।
(2655, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2656
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবান ইবনু উসমান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন একদিন যাইদ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) ঠিক দুপুরের সময় মারওয়ানের নিকট হতে বেরিয়ে আসলেন। আমরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করলাম, সম্ভবতঃ কোন ব্যাপারে প্রশ্ন করার জন্যই এ সময়ে মারওয়ান তাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। সুতরাং আমরা উঠে গিয়ে তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি আমার কাছে কয়েকটি কথা জিজ্ঞেস করেছেন, যা আমি রাসূলুল্লাহ -এর নিকট শুনেছি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তা'আলা সেই ব্যক্তির চেহারা আনন্দ-উজ্জ্বল করুন, যে আমার কোন কথা শুনেছে, তারপর তা সঠিকভাবে মনে রেখেছে এবং সেভাবেই অন্যের নিকট পৌছে দিয়েছে। এমন অনেক লোক আছে, যারা নিজেদের তুলনায় উচ্চতর জ্ঞানের অধিকারীর নিকট জ্ঞান পৌছে দিতে পারে। আর অনেক জ্ঞানের বাহক এমন রয়েছে যারা নিজেরাই জ্ঞানী নয়। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২৩০) 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, মুআয ইবনু জাবাল, জুবাইর ইবনু মুতাইম, আবূদ দারদা ও আনাস (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, যাইদ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান।
(2656, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2657
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ "-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তা'আলা সেই ব্যক্তিকে আলোকোজ্জ্বল করুন, যে আমার কোন কথা শুনেছে এবং যেভাবে শুনেছে সেভাবেই অন্যের নিকট তা (জ্ঞান) পৌছে দিয়েছে। এমন অনেক ব্যক্তি আছে যার নিকট ইলম পৌছানো হয় তিনি শ্রোতার চেয়ে বেশি হৃদয়ঙ্গমকারী হয়ে থাকেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩২) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবদুল মালিক ইবনু উমাইর ও এই হাদীসটি 'আবদুর রাহমান ইবনু আবদিল্লাহ (রাহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।
(2657, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2658
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা সেই ব্যক্তিকে আলোকোজ্জ্বল করুন যে আমার কথা শুনেছে, তা কণ্ঠস্থ করেছে, সংরক্ষণ করেছে এবং অন্যের নিকট পৌছে দিয়েছে। অনেক জ্ঞানের বাহক যার নিকট জ্ঞান বহন করে নিয়ে যান তিনি তার (বাহকের) চাইতে বেশি বুদ্ধিমান হতে পারেন। মু’মিনের অন্তর তিনটি বিষয়ে খিয়ানাত (অবহেলা) করতে পারে নাঃ আল্লাহ তা'আলার জন্য নিষ্ঠাপূৰ্ণ আমল, মুসলিমদের নেতৃবর্গকে সদুপদেশ দান এবং মুসলিম জামাআত অবলম্বন। কেননা দাওয়াত (আহবান) তাদের পশ্চাৎকেও পরিবেষ্টন করে। সহীহঃ সহীহাহ
(2658, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2659
Sahih Mutawatir
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক নিজ ইচ্ছায় আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে জাহান্নামকে তার বাসস্থান বানিয়ে নিক। সহীহঃ মুতাওয়াতির, ইবনু মা-জাহ (৩০), বুখারী ও মুসলিম।
(2659, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2660
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আলী ইবনু আবী তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার প্রতি মিথ্যারোপ করো না। কেননা যে লোক আমার উপর মিথ্যারোপ করবে সে জাহান্নামে যাবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম আবূ বাকর, উমার, উসমান, যুবাইর, সাঈদ ইবনু যাইদ, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আনাস, জাবির, ইবনু আব্বাস, আবূ সাঈদ, আমর ইবনু আবাসাহ, উকবাহ ইবনু আমির, মু'আবিয়াহ, বুরাইদাহ, আবূ মূসা, আবূ উমামাহ, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার, আল-মুনকা" ও আওস আস-সাকাফী (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, ‘আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। ‘আবদুর রাহমান ইবনু মাহদী বলেন, মানসূর ইবনুল মু'তামির হলেন কূফাবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী। ওয়াকী' বলেন, রিবঈ ইবনু হিরাশ মুসলিম অবস্থায় একটি মিথ্যাও বলেননি।
(2660, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2661
Sahih Mutawatir
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আমার উপর মিথ্যারোপ করবে, (বর্ণনাকারী বলেন) আমার মনে হয় তিনি “ইচ্ছাকৃতভাবে” কথাটুকুও বলেছেন, সে যেন তার বাসস্থান জাহান্নামে বানিয়ে নেয়। সহীহঃ মুতাওয়াতির, বুখারী ও মুসলিম। দেখুন পূর্বের হাদীস। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ এবং যুহরী-আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ)-এর সূত্রে গারীব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ হাদীস আনাস (রাযিঃ) হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
(2661, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2662
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার পক্ষ হতে যে লোক কোন হাদীস বর্ণনা করে অথচ সে জানে যে, তা মিথ্যা, সে মিথ্যাবাদীদের একজন। সহীহঃ আয-যঈফার ভূমিকা (১/১২), মুসলিম। আলী ইবনু আবী তালিব ও সামুরাহ (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি আল-হাকাম-আবদুর রাহমান ইবনু আবূ লাইলা হতে, তিনি সামুরা (রাযিঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে শুবাহ (রাহঃ) বর্ণনা করেছেন। আমাশ ও ইবনু আবী লাইলা (রহঃ) আল-হাকাম হতে, তিনি 'আবদুর রাহমান ইবনু আবী লাইলা হতে, তিনি আলী (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। সামুরাহ (রাযিঃ)-এর সূত্রে 'আবদুর রাহমান ইবনু আবী লাইলা বর্ণিত হাদীসটি মুহাদীসগণের মতে অনেক বেশি সহীহ। আবু ঈসা বলেন, আমি আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস “যে ব্যক্তি আমার পক্ষ হতে কোন হাদীস বর্ণনা করে অথচ সে জানে যে, তা মিথ্যা, সে মিথ্যাবাদীদের একজন” সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। আমি বললাম, যদি কোন ব্যক্তি হাদীস বর্ণনা করে এবং জানে যে, এর সনদ ক্রটিপূর্ণ তবে সে কি এ হাদীস মুতাবিক মিথ্যুক বলে পরিগণিত হবে? অথবা যদি কোন ব্যক্তি মুরসাল হাদীসকে মুসনাদ হিসেবে বর্ণনা করে কিংবা সনদে উল্টাপাল্টা করে তাহলে সেও কি উক্ত হাদীসের আওতাভুক্ত বলে পরিগণিত হবে? আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রাহমান বলেন, না, বরং এ হাদীসের তাৎপর্য হলঃ যে এমন হাদীস বর্ণনা করে, যে সম্পর্কে সে জানে না যে, এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস কি-না। আমি আশংকা করি যে, সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্ত হাদীসের আওতাভুক্ত হবে।
(2662, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2663
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ রাফি' (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যেন তোমাদের মধ্যে কাউকে এমন অবস্থায় না পাই যে, সে তার সুসজ্জিত আসনে হেলান দিয়ে বসে থাকবে এবং তার নিকট যখন আমার আদিষ্ট কোন বিষয় অথবা আমার নিষেধ সম্বলিত কোন হাদীস উত্থাপিত হবে তখন সে (তাচ্ছিল্যভরে) বলবে, আমি তা জানি না, আল্লাহ তা'আলার কিতাবে আমরা যা পাই, তারই অনুসরণ করবো। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৩) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি কোন কোন বর্ণনাকারী সুফইয়ান-ইবনুল মুনকাদির (রাহঃ)-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন। আবার কোন কোন বর্ণনাকারী সালিম আবূন নাযর হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনু আবী রাফি হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে, এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইবনু উয়াইনাহ যখন পৃথকভাবে উভয় সনদের উল্লেখ করতেন তখন মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদিরের বর্ণনাকে সালিম আবূন নাযরের বর্ণনা হতে পৃথক করে বর্ণনা করতেন এবং যখন উভয় সনদ একত্র করে বর্ণনা করতেন তখন প্রথমোক্তভাবে সনদটির উল্লেখ করতেন। আবূ রাফি' (রাযিঃ) ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্তদাস, তার নাম আসলাম।
(2663, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
জামে' আত-তিরমিযী : 2664
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মিকদাম ইবনু মাদীকারিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাবধান! খুব শীঘ্রই এমন ব্যক্তির আগমন ঘটবে যে, সে তার সুসজ্জিত গদিতে হেলান দিয়ে বসে থাকবে, তখন তার নিকট আমার কোন হাদীস পৌছলে সে বলবে, আমাদের ও তোমাদের সামনে তো আল্লাহ তা’আলার কিতাবই আছে। আমরা তাতে যা হালাল পাব সেগুলো হালাল বলে মেনে নিব এবং যেগুলো হারাম পাব সেগুলো হারাম বলে মনে নিব। সাবধান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা হারাম ঘোষণা করেছেন তা আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক হারামকৃত বস্তুর মতোই হারাম। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১২) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান, তবে উপরোক্ত সূত্রে গারীব।
(2664, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)